নজরবন্দি ব্যুরো: তিনবার সাগরদিঘি আসন জয়ের পরেও উপনির্বাচনে বিরাট ধাক্কা খেয়েছে তৃণমূল। ওই কেন্দ্রের জয়লাভ করেছেন বাম সমর্থিত কংগ্রেস প্রার্থী বায়রন বিশ্বাস। বিধানসভায় শূণ্য হয়ে যাওয়া কংগ্রেস অস্তিত্ব ফিরে পেয়েছে। কিন্তু সেটা তৃণমূলের জন্য বাড়তি অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এমত অবস্থায় মুর্শিদাবাদের মাটিতে দাঁড়িয়ে সাগরদিঘির বিধায়কের উদ্দেশ্যে বার্তা দিয়ে অভিষেক বললেন, কোনও অসুবিধা হলে মুখ্যমন্ত্রীর দরজা খোলা। নবনির্বাচিত বিধায়কের এই বার্তা কী কারণে? রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা।
আরও পড়ুনঃ Dilip Ghosh: ভোট লুঠের চেষ্টা করলে ভালো করে ট্রিটমেন্ট, বাঁকুড়ায় দাওয়াই দিলীপের


তৃণমূলে নবজোয়ার নিয়ে এই মুহুর্তে মুর্শিদাবাদে উপস্থিত হয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। গতকাল মুর্শিদাবাদের মাটিতে দাঁড়িয়ে সাগরদিঘির উদেশ্যে বিশেষ বার্তা দেন তিনি। অভিষেকের কথায়, সাগরদিঘিতে কংগ্রেসে এমএলএ জিতেছেন। আমি অনুরোধ করব আগামী দিনে সাগরদিঘির উন্নয়নের দিকে তিনি জোর দেবেন। যদি কোনও কাজে অসহযোগিতা হয়। তাহলে বিধানসভায় তিনি যান মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলুন। অসুবিধা হলে মুখ্যমন্ত্রীর দরজা খোলা। কেউ বারণ করছে না।

সম্প্রতি মালদহের একটি সভা থেকে সাগরদিঘি নিয়ে সরব হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, টাকা দিয়ে লোক কেনা, সাগরদিঘির কেস আমি জানি। টাকাটা কে দিয়েছে, কি করে দিয়েছে, আর কোথা থেকে দিয়েছে। ইদানিং একটা পার্টি হয়েছে, হায়দ্রাবাদের সঙ্গে যোগাযোগ আর অন্যান্যদের সঙ্গে যোগাযোগ। তাঁরা বলছে বিজেপি খুব ভালো। তা তো হবেই টাকাটা তো খুব ভালো। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এহেন মন্তব্যের পরেই সাগরদিঘি নিয়ে অভিষেকের অবস্থান ঘিরে প্রশ্ন জাগছে।


মুখ্যমন্ত্রীর দরজা খোলা, বিধায়ক বললেন অবশ্যই যাব

অভিষেকের এই কথায় আপ্লুত কংগ্রেস বিধায়ক। তিনি বলেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখ থেকে এই কথা শুনে খুব ভালো লাগল। বেশ নিরপেক্ষভাবে এই কথাটি উনি বললেন। আমি অবশ্যই যাব। সাগরদিঘির বিধায়কের মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে প্রশ্ন জাগতে শুরু করেছে।







