রাজ্যে প্রাথমিকে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু, আবেদন করা যাবে ৩ নভেম্বর পর্যন্ত

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগে বিপাকে রাজ্য সরকার। হাইকোর্টের নির্দেশে যখন দুর্নীতির মামলা তদন্ত করছে সিবিআই ও ইডি, তখন চাকরির দাবিতে মেয়ো রোডে ধরনায় বসেছে এসএসসি প্রার্থীরা। কীভাবে নিয়োগ? শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে স্কুল শিক্ষকদের জন্য অতিরিক্ত পদ তৈরি করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ তৃণমূল বিধায়ককে চড় মারার নিদান, কেন একথা বললেন লকেট?

শারীরশিক্ষার জন্য ৮৫০ ও কর্মশিক্ষায় ৭৫০ টি পদে এবা নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি করা হল। জানিয়ে দেওয়া হল কাউন্সেলিংয়ের দিনক্ষণও। রাজ্যে নতুন করে প্রায় ১১ হাজার শিক্ষক নিয়োগ করা হবে বলে জানিয়েছে পর্ষদ। এবারের বিজ্ঞপ্তি জারি করার আগে বেশ কিছু বিষয়ে উঠে এসেছে বিতর্কও। পর্ষদের তরফে বলা হয়েছে এবারের বিজ্ঞপ্তিতে শুধু ডিএলএড প্রার্থীরা নয় আবেদন করতে পারবেন বিএড পাস করা প্রার্থীরাও।

ফলে প্রতিযোগিতা আরও বাড়তে পারে বলে আদালতে মামলা করেছেন কিছু চাকরিপ্রার্থী। তাছাড়া, তপশিলি জাতি বা সংরক্ষিত তালিকার প্রার্থীরা দ্বাদশ শ্রেণীতে বা স্নাতক স্তরে ৪৫ শতাংশ নম্বর পেলেও আবেদন করতে পারবেন টেটের জন্য। সাধারনদের জন্য ৫০ শতাংশ নম্বর পাওয়া বাধ্যতামূলক।

অপর দিকে এই পরিক্ষার জন্য খুলে গেল ২০২২ সালের প্রাথমিক টেট পরীক্ষার আবেদন গ্রহণের পোর্টাল। শুক্রবার বিকেল চারটেয় চালু হওয়া পোর্টাল খোলা থাকবে আগামী ৩ নভেম্বর রাত ১২টা পর্যন্ত। http://www.wbbpe.org এবং https://wbbprimaryeducation.org -তে গিয়ে টেটের জন্য অনলাইন আবেদনের পেজে গিয়ে আবেদন করতে পারবেন চাকরিপ্রার্থীরা। এছাড়া, সরাসরি www.wbbpeonline.com -এ ঢুকে আবেদন করা যাবে।

শুক্রবার এই সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিও জারি করেছে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। আগামী ১১ ডিসেম্বর রাজ্যজুড়ে ২০২২ সালের টেট (TET) পরীক্ষা নেবে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। কারা এই পরীক্ষায় আবেদনের যোগ্য তা ২৯ সেপ্টেম্বরের বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়ে দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, মোট ১৫০ নম্বরের টেট পরীক্ষায় যে সকল প্রার্থী ৬০ শতাংশের বেশি নম্বর পাবেন, তাদের ২০২২ সালের টেট উত্তীর্ণ বলে বিবেচনা করা হবে।

রাজ্যে প্রাথমিকে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু, আবেদন করা যাবে ৩ নভেম্বর পর্যন্ত

অপর দিকে নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষক ও প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগেও আর বাধা নেই। কোন স্কুলে কোন ক্যাটেগরিতে কতগুলি পদ খালি? মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সংরক্ষণ তালিকা অনুমোদন করেছে রাজ্যের অনগ্রসর শ্রেণি উন্নয়ন দফতরকে। শূন্যপদের সংখ্যা কত? শিক্ষক ও প্রধানশিক্ষিকা মিলিয়ে ২২ হাজার। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি জারি হওয়া স্রেফ সময়ের অপেক্ষা বলেই খবর।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত