আরজি করের তরুণী চিকিৎসকের খুন ও ধর্ষণ কাণ্ডে বিচার চেয়ে পথে নেমেছে। বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্যভবন অভিযানের ডাক দিয়ে পথে নেমেছিল বিজেপি। সেই অভিযান সফল করে আজ ফের রাজ্য জুড়ে থানা ঘেরাও কর্মসূচির ডাক দিয়েছে বিজেপি। থানা চত্বরে বসেই স্লোগান তুলে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি কর্মী সমর্থকেরা। এই কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী, সুকান্ত মজুমদার, অগ্নিমিত্রা পাল থেকে শুরু করে দিলীপ ঘোষ সহ সমস্ত শীর্ষ সারির নেতা নেত্রীরা।
এদিন থানা ঘেরাও কর্মসূচিকে ঘিরে তুমুল উত্তেজনা তৈরি হয় নন্দিগ্রাম থানায়। আর জি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে নন্দীগ্রামে থানা ঘেরাও বিজেপির। থানার গেট পেরিয়ে পুলিশকে ধাক্কা দিয়ে ভিতরে বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। থানার ভেতরেই স্লোগান তুলে পুলিশের সঙ্গে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের ধস্তাধস্তি শুরু হয়। পরে থানা চত্বরে বসে বিক্ষোভ বিজেপির। এছাড়াও উত্তরবঙ্গের বেশ কিছু থানার সামনে টায়ার জ্বালিয়ে থানার সামনে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপির কর্মী সমর্থকেরা। এদিন অনেক থানার সামনে পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য ব্যারিকেড করে দেয় পুলিশ। এদিন মাথায় কালো ফিতে বেঁধে থানা ঘেরাও কর্মসূচি পালন করে বিজেপি নেতা দিলিপ ঘোষ ও কর্মী সমর্থকেরা।


প্রসঙ্গত আরজি করের ঘটনা নিয়ে গোটা রাজ্য থেকে শুরু করে দেশ রাজ্যের প্রশাসনিক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে প্রশ্ন তুলে সরব হয়েছেন। এমনকি পুলিশের বিরুদ্ধে তদন্ত লোপাটের অভিযোগ তুলেছেন অনেকে। গতকাল রাজ্যের প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে কটাক্ষের মুখে পরে রাজ্য। এদিকে গতকালই আরজি কর মামলার দ্বিতীয় শুনানি তে সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট ভাবে জানায়,আইন আইনের পথে চলবে, কিন্তু রাজ্যকে একটা বিষয় দেখতে হবে যাতে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদকারীদের, যেন প্রতিবাদ করতে দেওয়া হয়। আরজি করের প্রতিবাদ করা যাবে তবে তা শান্তিপূর্ণ থাকতে হবে।







