নজরবন্দি ব্যুরোঃ বেয়াইনি মদ চক্রের তল্লাশে দুষ্কৃতিদের হাতে নিহত পুলিশ, তা নিয়েই ফের শিরোনামে যোগীর রাজ্য। বেয়াইনি কাজের তল্লাশে করতে গিয়ে প্রাণ দিতে হল রাজ্যের পুলিশকেই। উত্তরপ্রদেশের কাসগঞ্জের এই ঘটনা রীতিমত আলোড়ন ফেলেছে ইতিমধ্যেই। প্রশ্ন উঠছে, যদি বেয়াইনি কাজের তল্লাশে গিয়ে প্রান দিতে পুলিশকেই, তাহলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কোথায়? ঘটনায় নিহত এক কন্সটেবল এবং আহত আরও এক সাব ইন্সপেক্টর।
আরও পড়ুনঃ নজরে পরিবর্তনের রথ, বেয়াইনি হোটেলের সঙ্গে তুলনা মমতার। কিন্তু কেন?


মঙ্গলবার রাতে উত্তরপ্রদেশের কাসগঞ্জে একদল পুলিশ অভিযানে বেরিয়েছেন বেয়াইনি মদের আখড়ার তল্লাশে। সূত্রের খবর তল্লাশিতে যেতেই পুলিশকর্মীদের ওপর লাঠি অস্ত্র নিয়ে হঠাতই চড়াও হয় দুষ্কৃতিরা। বাকি পুলিশের দল সেখান থেকে ছিটকে গিয়ে প্রানে বাঁচলেও দেবেন্দ্র এবং অশোক নামের দুজন পুলিশকে আটকে রেখে তাঁদের ওপর মারধোর চালায় দুষ্কৃতিরা। পরিস্থিতি জানতে পেরে পুলিশের বিশাল বাহিনি ঘটনাস্থলে পৌঁছালে পাশের এক মাঠে দুই সহকর্মীকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করেন তাঁরা। সেখান থেকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানেই কনস্টেবল দেবেন্দ্রকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকেরা। এখনো গুরুতর অবস্থায় চিকিৎসাধীন সাব ইনস্পেক্টর অশোক।
বেয়াইনি মদ চক্রের তল্লাশে দুষ্কৃতিদের হাতে নিহত পুলিশ, পুলিশের ওপর হামলার খবর প্রকাশ্যে আসতেই মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের কার্যালয় থেকে টুইট করে অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির কথা ঘোষণা করা হয়েছে। জানানো হয়েছে দুষ্কৃতিদের বিরুদ্ধে দায়ের করা হবে জাতীয় সুরক্ষা আইনের মামলা। পাশাপাশি যোগী সরকার আহত পুলিশ অফিসার অশোকের চিকিৎসার জাবতীয় দায়িত্ব নেওয়ার কথাও ঘোষণা করেছে। এবং মৃত কনস্টেবল দেবেন্দ্রর পরিবারকে ক্ষতিপুরণ হিসেবে ৫০ লক্ষ টাকা এবং পরিবারের একজনকে চাকরি দেওয়ার কথা জানিয়েছেন খোদ আদিত্যনাথ।








