নজরবন্দি ব্যুরোঃ এসএসসি পরীক্ষার নোটিফিকেশন জারি সহ সমস্ত শূণ্যপদে নিয়োগের দাবীতে নবান্ন অভিযানের ডাক দিয়েছেন চাকরীপ্রার্থীদের। বৃহস্পতিবার চাকরীপ্রার্থীদের সেই অভিযানকে ঘিরে উত্তেজনা ছড়াল কলেজস্ট্রিট চত্বরে। কলেজ স্কোয়ারে ব্যারিকেড দিয়ে ছাত্রদের আটকাল পুলিশ।
আরও পড়ুনঃ Quad Leaders Meeting: ইউক্রেনের পরিস্থিতি নিয়ে ভার্চুয়াল সামিটে বাইডেন, থাকছেন মোদিও


অবিলম্বে এসএসসির নোটিফিকেশন জারি এবং শূণ্যপদে নিয়োগের দাবীতে এদিন কলেজ স্ট্রিট থেকে মিছিল শুরু করেন চাকরী প্রার্থীরা। কিন্তু সেখানেই ব্যারিকেড দিয়ে তাঁদের আটকে দেয় পুলিশ। পুলিশের তরফে দাবী করা হচ্ছিল মিছিলের অনুমতি নেই তাই মিছিল করতে দেওয়া যাবে না। এরপরেই পুলিশের সঙ্গে চাকরীপ্রার্থীদের খণ্ডযুদ্ধ শুরু হয়। কার্যত রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে গোটা এলাকা।

দিন কয়েক আগেই নবম-দশম শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি কাণ্ডে এবার সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্টের অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের বেঞ্চ। ২৮ মার্চের মধ্যে রিপোর্ট জমা দেওয়ার কথা জানায় আদালত। গোটা ঘটনার পিছনে কারা আছেন? এমনকি কোনও আর্থিক লেনদেন হয়েছে কী না তা খুঁজে বের করতে সিবিআইকে নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টে। যাঁদের নির্দেশে সরকারী আধিকারিকরা এই কাজ করেছেন তাঁদেরকেও খুঁজে বের করার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।


এর আগে এসএসসির গ্রুপ সি নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগে ৩৫০ জনকে বরখাস্ত করেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। সেইসঙ্গে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেন তিনি। সিবিআই অধিকর্তা এই বিষয়টির ওপর নজর রাখবেন। এমনকি গ্রুপ ডি নিয়োগেও সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল একই বেঞ্চ। পরে সিবিআই অনুসন্ধানে স্থগিতাদেশ দেয় ডিভিশন বেঞ্চ।
নিয়োগের দাবিতে নবান্ন অভিযান, রণক্ষেত্র কলেজ স্ট্রিট চত্বর

সিঙ্গেল বেঞ্চের সিবিআই তদন্তের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ডিভিশন বেঞ্চে যায় রাজ্য। সিবিআই তদন্তে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ চেয়ে ডিভিশন বেঞ্চের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে রাজ্য। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সৌমেন রায়ের ডিভিশন বেঞ্চে সেই আবেদন জানানো হয়েছে। মামলা গ্রহণ করা হয়েছে। আগামীকাল শুনানি।







