জহরলাল নেহেরুর পর তৃতীয়বারের জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নিতে চলেছেন নরেন্দ্র মোদী। রবিবার সন্ধ্যে ৭টা ১৫ নাগাদ শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান আয়োজন হয়েছে রাইসিনা হিল অর্থাৎ রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর বাসভবনে। তার আগে এদিন সকালেই এবারের এনডিএ সরকারের হবু মন্ত্রীদের নিয়ে বাসভবন ৭ লোক কল্যাণ মার্গে চা চক্র সারলেন নরেন্দ্র মোদী। চা চক্রে উপস্থিত ছিলেন ৪১ জন।
আরও পড়ুন: যাদবপুর জিতেই তৎপর সায়নী, এলাকাবাসীর জন্য চালু হেল্পলাইন
তৃতীয় বারের জন্য ক্ষমতায় এলেও এই প্রথম সংখ্যাগরিষ্ঠতায় নেই বিজেপি। ম্যাজিক ফগার ২৭২ পার করতে প্রয়োজন হয়েছে শরিকদের সহযোগিতার। ফলে, এবার শরিকদের দাবিদাওয়া পূরণ করেই সরকারে বসবেন নরেন্দ্র মোদী। কে কোন মন্ত্রক পাবেন তা নিয়েও জল্পনা চলছে। সূত্রের খবর, আজ চায়ের আড্ডায় হবু মন্ত্রীদের ইতিবাচক বার্তা দিয়েছেন মোদী। বলেছেন, “আমাদের একটাই উদ্দেশ্য সেটা হল, মানুষকে সুশাসন দেওয়া। তাই আপনারা সময়ের কাজ সময়ে শেষ করুন।”

এনডিএ শরিকদের মধ্যে নীতীশ কুমার ও চন্দ্রবাবু নায়ডু বেশ কিছু দাবি রেখেছেন। তাঁরা যথাক্রমে বিহার ও অন্ধ্রপ্রদেশের জন্য স্পেশাল প্যাকেজ চেয়েছেন। রেল মন্ত্রকের দাবি রেখেচনে নীতীশ। স্পিকার পদ চাইছেন নায়ডুও। এছাড়াও অন্যান্য শরিক দল রয়েছে।
সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতেই হবে, হবু মন্ত্রীদের ১০০ দিনের ‘টার্গেট’ বেঁধে দিলেন মোদী

সূত্রের খবর, স্বরাষ্ট্র, প্রতিরক্ষা, বিদেশ ও পরিবহনের মতো গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রক নিজেদের হাতেই রাখতে চায় বিজেপি। বাংলা থেকে সুকান্ত মজুমদার ও শান্তনু ঠাকুর প্রতিমন্ত্রী হচ্ছেন। এটা কার্যত চূড়ান্ত। চিরাগ পাসওয়ান, এইচডি কুমারস্বামী, অনুপ্রিয়া প্যাটেল, জয়ন্ত চৌধুরী এবং জিতন রাম মাঞ্জি মন্ত্রী পদ পেতে পারেন।
একনাথ শিন্ডের শিবসেনার প্রতিনিধিত্ব করতে পারেন। তাঁদের তরফে প্রতাপ রাও যাদব, এবং রামদাস আঠাওয়ালে মন্ত্রী হতে চলেছেন। সর্বানন্দ সোনোয়াল এবং কিরেন রিজিজু সহ উত্তর-পূর্বের নেতারা মন্ত্রী হিসাবে ফিরবেন বলে আশা করা হচ্ছে।



