যাদবপুর লোকসভা থেকে জিতে প্রথমবারের জন্য সাংসদ হয়েছেন তৃণমূলের সায়নী ঘোষ। আর ভোটে জিতেই এলাকাবাসীর জন্য তৎপর তিনি। চালু করতে চলেছেন একটি হেল্পলাইন নম্বর। যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘সরাসরি সায়নী’। এর আগে রাজ্য সরকারের তরফে ‘দিদিকে বলো’ চালু করা হয়। সেই ধাঁচেই চালু হতে চলেছে ‘সরাসরি সায়নী’।
আরও পড়ুন: ১০ বছর পর NDA দুর্বল এবং INDIA শাইনিং, পাঁচ গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রক হাতছাড়া বিজেপির!


যাদবপুরে এবার টাফ ফাইট ছিল সায়নী ঘোষের। বিদায়ী সাংসদ মিমি চক্রবর্তীকে টিকিট না দিয়ে তাঁকে ভরসা করেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিপক্ষে ছিলেন বিজেপির অনির্বাণ গাঙ্গুলি এবং সিপিআইএম-এর সৃজন ভট্টাচার্য। ফল প্রকাশের পর দেখা গেল, ২ লক্ষ ৫৮ হাজার ভোটে জিতেছেন সায়নী।

যাদবপুরের সাংসদ হিসাবে নির্বাচিত হয়েই সায়নী বলেন, “বারুইপুর, সোনারপুর, যাদবপুর, টালিগঞ্জের মানুষ আমাকে দেখেছেন। সমর্থন করেছেন। আমি আপ্লুত। এবার মানুষের জন্য কাজ করতে চাই। আমার ইচ্ছা একমাসের মধ্যে একটা হেল্পলাইন চালু করবার। মানুষের সুবিধা অসুবিধা জেনে কাজ করতে চাই।”


যাদবপুর জিতেই তৎপর সায়নী, এলাকাবাসীর জন্য চালু হেল্পলাইন

রাজনীতির প্রতি বরাবর একটা উৎসাহ রয়েছে সায়নীর। যদিও শুরুটা সেভাবে হয়নি। পরিচালক অনীক দত্তের ‘ভবিষ্যতের ভূত’ রাজ্য সরকারের তরফে ব্যান করা হলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমালোচনা করেন সায়নী। যদিও পরে ঘনিষ্ঠ মহলে অভিনেত্রী জানান, তৃণমূল সুপ্রিমো সায়নীর এই সমালোচনা তো একেবারেই গায়ে মাখেননি বরং তাঁর স্পষ্টভাষী স্বভাবকে অনেক পছন্দ করেছেন। এরপর ধীরে ধীরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আদর্শে অনুপ্রাণিত হন সায়নী।
বিভিন্ন সময় প্রচারে বা জনসভায় সায়নীকে দেখা যায় মমতার মতো সাজপোশাকে। পায়েও পড়েন সাদা হাওয়াই চপ্পল। একুশের বিধানসভা ভোটে হেরে সাময়িকভাবে হতাশ হলেও এরপর তাঁকে যুব তৃণমূলের দায়িত্বে আনা হয় এবং অবশেষে সাংসদও হলেন সায়নী। এবার আগামীদিনে তিনি কীভাবে তাঁর কর্মকাণ্ডকে এগিয়ে নিয়ে যান সেদিকেই নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।







