নজরবন্দি ব্যুরোঃ বিশ্ব খাদ্য দিবসে ৭৫ টাকার কয়েন প্রকাশ মোদির। আজ ৭৫ তম বিশ্ব খাদ্য দিবস। ফুড অ্যান্ড এগ্রিকালচার অর্গানাইজেশনের ৭৫ তম বর্ষপূর্তি। এই উপলক্ষ্যে আজ ৭৫ টাকার কয়েন প্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এমনকি আটটি খাদ্যশস্যের ১৭ রকমের ধরনের উদ্বোধন করেন তিনি। সম্প্রতি এই ধরনগুলি বিশেষ পদ্ধতিতে তৈরি করা হয়েছে। প্রতিবছরের মত এবছরও ১৬ অক্টোবর পালন করা হয় বিশ্ব খাদ্য দিবস।
আরও পড়ুনঃ শিশুসন্তান কোলে দেবীর রূপে পরিযায়ী মা। আত্মনির্ভর দেশের নির্মম চিত্র বড়িশার মন্ডপে।
করোনা আবহের মধ্যেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। খাবারের প্রয়োজনীয়তা ও সবার মধ্যে সমান পরিমাণে খাবার বন্টনের গুরুত্ব আরও বেশি করে প্রচার করা হয় এদিন। বিশ্ব খাদ্য দিবস উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পৃথিবী জুড়ে গরিব দুঃখী মানুষের মুখে খাবার তুলে দেওয়া এবং সবার দেহে পুষ্টি যোগানোর জন্য ফুড অ্যান্ড এগ্রিকালচার অর্গানাইজেশন যে কাজ করে আসছে তার কোনও তুলনা নেই। এই সংস্থার সঙ্গে এক ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে ভারতের। ১৯৫৬ থেকে ১৯৬৭ সাল পর্যন্ত এই সংস্থার ডিরেক্টর জেনারেল ছিলেন ভারতের আইসিএস অফিসার বিনয় রঞ্জন সেন।
সেই সময়েই ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রাম চালু হয়। এই বছর নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছে এই সংস্থা।’ প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘চলতি বছর ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রামকে নোবেল শান্তি পুরস্কার দেওয়া খুবই উল্লেখযোগ্য ঘটনা। এই সংস্থার সঙ্গে ভারতের যে দীর্ঘদিনের ও ঐতিহাসিক যোগ রয়েছে তার জন্য আমরা খুব খুশি।’ ২০২০ সালের বিশ্ব খাদ্য দিবসের লক্ষ্য কৃষির উপর গুরুত্ব দেওয়া এবং বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে যে অপুষ্টি ও কম পুষ্টির সমস্যা দেখা যায় তা দূর করা। ভারতেও কোথাও কোথাও এই অপুষ্টির সমস্যা দেখা যায়। এই সমস্যা যাতে দূর করা সম্ভব হয় সেদিকেই প্রতিশ্রুতিবদ্ধ রাষ্ট্রসংঘ।
বিশ্ব খাদ্য দিবসে ৭৫ টাকার কয়েন প্রকাশ মোদির। এদিন ৭৫ টাকার কয়েন প্রকাশ করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী জানান, ইউনাইটেড নেশন্স ফুড অ্যান্ড এগ্রিকালচার অর্গানাইজেশনের সঙ্গে ভারতের দীর্ঘদিনের সম্পর্কের কথা। অতিমারির মধ্যেও যে দেশের মানুষের খাদ্য সুরক্ষার বন্দোবস্ত করা হয়েছে সেই কথাও জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি বলেন, ‘যেখানে করোনা সংক্রমণের মধ্যে অনেক দেশই তাদের মানুষদের খাদ্য সুরক্ষা দিতে গিয়ে সমস্যায় পড়ছে সেখানে ভারতের কৃষকরা খাদ্য উত্পাদনে গত বছরের রেকর্ডও ভেঙ্গে দিয়েছেন। এমনকি নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যশস্যের রফতানি গত বছরের থেকে ৪০ শতাংশ বেড়েছে।’
মোদী আরও বলেন, ‘এই অনুষ্ঠান প্রমান করে কৃষি ও মানুষের পুষ্টি হল সবার থেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এই অনুষ্ঠানেই আমাদের শপথ করতে হবে গোটা দুনিয়া থেকে ক্ষুধা, অপুষ্টি ও কম পুষ্টি দূর করার।’ এই কাজে ফুড অ্যান্ড এগ্রিকালচার অর্গানাইজেশন যাতে আরও অনেক দূর এগিয়ে যেতে পারে তার জন্য এই সংস্থাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।



