নজরবন্দি ব্যুরোঃ পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে আবাস যোজনা নিয়ে কেন্দ্র এবং রাজ্যের মধ্যে টানাপোড়েন শুরু হয়েছে। কিন্তু আবাস যোজনার সুবিধে সঠিক পরিবারকে দেওয়া হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখতেই একাধিক অভিযোগ উঠে আসতে শুরু করেছে। আবাস যোজনা নিয়ে চরম অস্বস্তিতে শাসক দল। এবার আবাস যোজনা নিয়ে সরাসরি সাধারণ মানুষের অসন্তোষের মুখে পড়লেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য।
আরও পড়ুনঃ Anubrata Mondal: শিবঠাকুরের বয়ানে একাধিক মিসিং লিঙ্ক, তালিকা তৈরি করছে পুলিশ


পুরুলিয়ার ইন্দটাঁড় ময়দানে মহিলা তৃণমূলের উদ্যোগে চল যাই কর্মসূচি নিয়ে পুরুলিয়ায় উপস্থিত হন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী। গ্রামে গিয়ে মানুষের সঙ্গে কথা বলতে উপস্থিত হন। সেখানেই সাধারণ মানুষের প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় তাঁকে। চন্দ্রিমার দাবি, আগে সার্ভে করা হয়েছিল, তাই সমস্যার মুখে পড়তে হয়েছে। একইসঙ্গে সাধারণ মানুষের দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

একইসঙ্গে এবিষয়ে কেন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দাগতে পিছপা হলেন না রাজ্যের অর্থমন্ত্রী। তাঁর কথায়, ২০১৮ সালে আবাস যোজনা কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু কেন্দ্র শুরু করল ২০২২ সালে। সমীক্ষার পর যদি এত বছর অপেক্ষা করতে হয়, তাহলে তো সমস্যা হবেই। তবে দুর্নীতি হয়ে থাকলে দল সমর্থন করবে না। এমনটাও স্পষ্ট করেছেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য।
উল্লেখ্য, আবাস যোজনা নিয়ে রাজ্যের শাসক দলের নেতাদের বিরুদ্ধে ভুরি ভুরি অভিযোগ উঠতে শুরু করেছে। শাসক দলের নেতারা তাঁদের ঘনিষ্ঠদের আবাস যোজনার টাকা পাইয়ে দিয়েছেন, এই অভিযোগ উঠেছে লাগাতার। যোগ্যদের বাদ দিয়ে অযোগ্যদের আবাস যোজনার টাকা পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগে পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে কাঠগড়ায় তৃণমূল। এখন রাজ্যের অর্থমন্ত্রীকেও সাধারণ মানুষের প্রশ্নের মুখে পড়তে হচ্ছে। যা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।


আবাস যোজনা নিয়ে চরম অস্বস্তিতে শাসক দল, নির্বাচনের আগে শুরু টানাপোড়েন

বিজেপির বক্তব্য, সারা দেশেই আবাস যোজনার টাকা দিচ্ছে কেন্দ্র। কিন্তু এখনও খরচের হিসেব দেয়নি রাজ্য সরকার। তাই টাকা আটকে রাখা হয়েছে। বড় বড় প্রাসাদের মতো বাড়ির মালিকের নাম কী করে তালিকায় থাকে? প্রশ্ন তুলেছেন বিজেপি।







