পার্থর জামাইয়ের কথাতেই নথিতে সই! ‘রাজসাক্ষী’ কল্যাণময়ের দিকে আঙুল মামার

নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে রাজসাক্ষী হলেন কল্যাণময় ভট্টাচার্য, এবার তাঁকেই কাঠগড়ায় তুললেন পার্থের বেয়াই। মামার দাবি— ভাগ্নের ওপর বিশ্বাস করেই সংস্থার নথিতে সই করেছিলেন তিনি।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ফের চাঞ্চল্য! রাজসাক্ষী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের জামাই কল্যাণময় ভট্টাচার্য। এবার সেই কল্যাণময়ের বিরুদ্ধেই সাক্ষ্য দিলেন তাঁর মামা, যিনি সম্পর্কে পার্থের বেয়াই।

সোমবার বিচার ভবনে এসে কল্যাণময়ের মামা আদালতে জানান, তিনি ভাগ্নের অনুরোধে একাধিক সংস্থার কাগজে সই করেছিলেন। এমনকি, দুটি সংস্থার ডিরেক্টর থাকলেও সংস্থার যাবতীয় নথিপত্র না দেখে শুধুমাত্র কল্যাণময়ের কথায় বিশ্বাস করে স্বাক্ষর করেন তিনি।

সূত্রের খবর, নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে ইতিমধ্যেই পাঁচটি সন্দেহভাজন সংস্থার খোঁজ পেয়েছেন তদন্তকারীরা, যার সঙ্গে কল্যাণময়ের মামার প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ যোগ রয়েছে। ইডি ইতিমধ্যেই তাঁর বাড়ি থেকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ দলিলের ফোটোকপি উদ্ধার করেছে।

পার্থর জামাইয়ের কথাতেই নথিতে সই! ‘রাজসাক্ষী’ কল্যাণময়ের দিকে আঙুল মামার

পার্থর জামাইয়ের কথাতেই নথিতে সই! ‘রাজসাক্ষী’ কল্যাণময়ের দিকে আঙুল মামার
পার্থর জামাইয়ের কথাতেই নথিতে সই! ‘রাজসাক্ষী’ কল্যাণময়ের দিকে আঙুল মামার

পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের জামাই কল্যাণময়, যিনি বর্তমানে আমেরিকা থেকে কলকাতায় ফিরে এসেছেন, গোপন জবানবন্দির মাধ্যমে আদালতে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেশ করতে চেয়েছেন। এই প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছে আদালত। কল্যাণময়ের বিরুদ্ধে একসময় অভিযোগ থাকলেও রাজসাক্ষী হয়ে ওঠার পর তাঁকে অভিযুক্তদের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

কিন্তু এবার যাঁকে তিনি সবচেয়ে বেশি ভরসা করতেন— সেই মামাই আদালতে এসে জানালেন, ‘‘ভাগ্নে যা বলত, আমি সেখানেই সই করতাম। আমি জানতামই না যে এর পিছনে এমন কিছু লুকিয়ে আছে।’’

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় নতুন মোড় নিয়েছে। যেখানে একজন রাজসাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েই প্রশ্ন উঠে গেল তাঁর ঘনিষ্ঠ আত্মীয়ের বক্তব্যে। এখন দেখার বিষয়, এই নতুন তথ্য মামলার গতিপথ কোন দিকে ঘুরিয়ে দেয়।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত