নজরবন্দি ব্যুরো: বাইরনের দলবদল যেন পঞ্চায়েতের আগেই নতুন করে রাজ্য-রাজনীতিতে শোরগোল ছড়িয়েছে। উপনির্বাচনে জয়ী হয়ে ৩ মাসের মধ্যেই কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন সাগরদিঘির বিধায়ক বাইরন বিশ্বাস। সোমবার ঘাটালের তৃণমূলের নবজোয়ার কর্মসূচিতে সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত দিয়ে শাসকদলের পতাকা হাতে তুলে নেন বাইরন। আর তারপর থেকেই একের পর এক মন্তব্য উঠে আসছে। এই দলবলের বিপক্ষেই মন্তব্য করেছেন রাজনৈতিক দলের নেতার।


কিন্তু এবার এক প্রকার দলবদলের পক্ষেই মন্তব্য করলেন রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী তথা প্রত্যয়ী তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত নেতা পার্থ চট্টোপাধ্যায়। জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ধৃত প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়-সহ ৭ জনকে আলিপুর আদালতে পেশ করা হয়। এদিন আদালতে প্রবেশ করার সময় বায়রন বিশ্বাসের দলবদল নিয়ে প্রতিক্রিয়া দেন রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী। বললেন, “সবাই তৃণমূলে চলে আসবে!” যদিওবা ঘনিষ্ঠ অর্পিতার প্রসঙ্গে নিরুত্তর রইলেন পার্থ!

প্রসঙ্গত, সোমবার তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে তৃণমূলে এলেন বাইরন। কংগ্রেসে থেকে সাধারণ মানুষের জন্য কিছু করতে পারছিলেন না বলেই এই দলবদল, দাবি বাইরন বিশ্বাসের। কিন্তু এপ্রসঙ্গে রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, নির্বাচনের আগেই বড় চাল চালল তৃণমূল। যা পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে এই দলবদল নিঃসন্দেহেই কংগ্রেসের কাছে বড় ধাক্কা!



মঙ্গলবার আদালতের বাইরে বাইরন বিশ্বাসের তৃণমূলে যোগ দেওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানান, বাইরনের মতই সবাই তৃণমূলে চলে আসবে। কিন্তু এরপরে ঘনিষ্ঠ বান্ধবী প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে, পার্থ চট্টোপাধ্যায় এক্কেবারে চুপ করে যান। কার্যত নিশ্চুপই থেকে যান রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী। তাহলে কি অপার সম্পর্কে ফাটল? নাকি অভিমান? উল্লেখ্য, সোমবার আদালতে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বান্ধবী অর্পিতা মুখোপাধ্যায় ও তাঁর আইনজীবী জানান, “নিয়োগ দুর্নীতিতে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ই আসল মাস্টারমাইড। সংস্থার সব কাজ হত পার্থর বাড়িতেই।” আর অর্পিতার এহেন মন্তব্যে ফের নতুন করে শোরগোল ছড়িয়েছে।
সবাই তৃণমূলে চলে আসবে, মন্তব্য পার্থর









