নজরবন্দি ব্যুরোঃ মঙ্গলবার আদালতে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের জামিনের মামলার পাশাপাশি ইডির চার্জশিট বাতিলের আরও একটি পিটিশন জমা করা হয়েছিল। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের আইনজীবীর তরফে জানানো হয়, ইডির এক্তিয়ার নেই পিএমএলএর বাইরে তদন্ত করবে। এদিন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের তরফে করা ইডির চার্জশিট বাতিলের আবেদন খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। বিদ্যাসাগরের প্রসঙ্গ টেনে ইডির আইনজীবীর দাবি, পার্থ চট্টোপাধ্যায় শিক্ষাব্যবস্থাকে ১০০ বছর পিছিয়ে দিয়েছেন।
আরও পড়ুনঃ DA Protest: ডিএ না পেলে পঞ্চায়েত নির্বাচনে কাজ না করার হুঁশিয়ারি, বাড়ছে আন্দোলনের ঝাঁঝ


একইসঙ্গে এদিন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের আইনজীবীর তরফে মুলত তিনটি কারণ তুলে হয়েছিল। প্রথমত, তিনি অসুস্থ, ৭২ বছর বয়স হয়েছে তাঁর। একাধিক রোগের চিকিৎসা চলছে এই মুহুর্তে। দ্বিতীয়ত, তাঁকে প্রভাবশালী বলে দাবি করা হচ্ছে। যেটা মানতে নারাজ পার্থ। অন্যদিকে, আর্থিক দুর্নীতি সম্পর্কে অবগত করতে বিদ্যাসাগরের বক্তব্যকেই অস্ত্র হিসাবে ব্যবহার করা হয়।

সেখানে ইডির আইনজীবীর তরফে বলা হয়, বিদ্যাসাগরের মতো একজন ব্যক্তি আমাদের শিক্ষাব্যবস্থাকে ১০০ বছর এগিয়ে দিয়েছেন। আর একজন ব্যক্তি তিনি শিক্ষাক্ষেত্রে আমাদের রাজ্যকে ১০০ বছর পিছিয়ে দিয়েছেন।
একইসঙ্গে পার্থ চট্টোপাধ্যায় কুন্তল ঘোষের কাছ থেকে ১০ লক্ষ টাকা নিয়েছিলেন। মঙ্গলবার সেই বিষয়টিও ইডির তরফে তুলে ধরা হয়। এই তথ্য কুন্তল ঘোষকে জিজ্ঞাসাবাদ করেই উঠে এসেছে। পাশাপাশি, আজও পার্থ সম্পর্কে প্রভাবশালী তত্ত্ব তুলে ধরা হয় ইডির তরফে। ইডির তরফে দাবি করা হয়েছে, যে দিন থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে, সেই দিন থেকে প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। সেদিনেই মুখ্যমন্ত্রীকে ফোন করেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী তাঁর আত্মীয় বলেই প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করছেন।


পার্থ চট্টোপাধ্যায় শিক্ষাব্যবস্থাকে ১০০ বছর পিছিয়ে দিয়েছেন, দাবি ইডির

এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের আইনজীবীর দাবি, বিদ্যাসাগরের বিষয়ে সঠিক তথ্য তুলে ধরা হলেও পার্থর বিষয়ে সঠিক তথ্য ইডি তুলে ধরেনি। একইসঙ্গে কুন্তলের থেকে পার্থ চট্টোপাধ্যায় টাকা নিয়েছেন, সেবিষয়েও মানতে নারাজ তিনি। তাঁর দাবি, যে মামলা ইডির তরফে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে করা হয়েছে, সেটা করা উচিত নয়।








