পুজোর আগে বড় স্বস্তির খবর পেলেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। নিয়োগ দুর্নীতি মামলার অঙ্গ হিসাবে সিবিআই দায়ের করা নবম-দশম শ্রেণির মামলায় আলিপুর বিশেষ আদালতে বুধবার তাঁর জামিন মঞ্জুর হয়েছে। ৭০০০ টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে এই জামিন পেলেন তিনি।
যদিও এই মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়নি, তবে চার্জশিটে নাম থাকায় আদালতে হাজিরা দিতে হয় পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে। দীর্ঘ শুনানির পর জামিনের আবেদন গ্রহণ করে আদালত। তবে জামিন হলেও প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীর জেলমুক্তি এখনও হচ্ছে না।


একই দিনে আলিপুর বিশেষ আদালতে আত্মসমর্পণ করেছিলেন তৃণমূল বিধায়ক পরেশ অধিকারী এবং তাঁর মেয়ে অঙ্কিতা অধিকারী। তাঁদের জামিনের আবেদনও আদালত মঞ্জুর করেছে।
৭০০০ টাকার বন্ডে জামিন পেলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়, পুজোর আগে স্বস্তির হাওয়া

২০২২ সালে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেপ্তার হন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তারপর থেকেই তিনি জেলবন্দি। নিয়োগ দুর্নীতির একাধিক মামলায় নাম জড়িয়ে পড়েছে তাঁর। যদিও ইতিমধ্যেই ইডি দায়ের করা মামলায় সুপ্রিম কোর্ট থেকে জামিন পেয়েছেন তিনি। এমনকী সিবিআই দায়ের করা অন্য একটি মামলায়ও সর্বোচ্চ আদালত জামিন মঞ্জুর করেছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত একাধিক মামলা চলায় তিনি জেল থেকে মুক্ত হতে পারেননি।
আইনজীবীর মাধ্যমে এদিন আদালতে হাজিরা দেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। জামিনের আবেদন করলে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই তার তীব্র বিরোধিতা করে। সিবিআইয়ের তরফে জানানো হয়, প্রতিটি মামলায় অভিযুক্তদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সমাজে এদের প্রভাব বিরাট।


তবে দীর্ঘ শুনানি শেষে নবম-দশম মামলায়ও নিম্ন আদালত পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের জামিন মঞ্জুর করে। ফলে পুজোর আগে তাঁর জন্য এটাই বড় স্বস্তির বার্তা।
পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের জামিনের প্রেক্ষিতে রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে জোর আলোচনা। তৃণমূল শিবিরে যেখানে কিছুটা স্বস্তির আবহ তৈরি হয়েছে, সেখানে বিরোধীরা প্রশ্ন তুলেছে কেন এত গুরুতর দুর্নীতির মামলায় একের পর এক জামিন মেলে প্রাক্তন মন্ত্রীর।
এখনও পর্যন্ত স্পষ্ট, জামিন পেলেও জেলমুক্তি সহজ নয় পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের জন্য। একাধিক মামলা চলমান থাকায় তাঁকে আরও আদালতের প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে। তবে পুজোর আগে এই খবর নিঃসন্দেহে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীর পরিবারের কাছে বড় প্রাপ্তি।







