নজরবন্দি ব্যুরোঃ আর মাত্র কয়েক ঘন্টা বাকি। তারপরেই শুরু হতে চলেছে লালবাড়ির লড়াই। শুক্রবার শেষ মুহুর্তের প্রচারে চমক এনেছিলেন সমস্ত দল। কলকাতায় প্রতিটা কোণা ভরে গিয়েছিল রাজনৈতিক রঙ-এ। কিন্তু সবচেয়ে বেশী চমক কেড়েছিলেন পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়। এদিন তৃণমূলের প্রচারে অরূপ বিশ্বাস, রাজ চক্রবর্তীদের সঙ্গে দেখা গেল জনপ্রিয় অভিনেতাকেও।
আরও পড়ুনঃ পুরভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী মামলার শুনানি শেষ, আগামীকালের মধ্যে রায়দান
তারকা নিয়ে তৃণমূলের চমক নতুন কিছু নয়। টলিউডের সিংহভাগ এখন তৃণমূলের দলীয় সংগঠনের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত। তবে এতদিন ধরে সক্রিয় রাজনীতি থেকে দূরে অবস্থানকারী পরমব্রতকে নিয়ে রাজনৈতিক মহলে বেশ আলোচনা শুরু হয়েছে। আর টলিউডের এই হার্টথ্রাবকে আলোচনার সুচনা হয়েছিল দেউচা পাঁচামি নিয়ে সরকারের কমিটি গঠন ঘিরে।
বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম এই কয়কা খনির জন্য রাজ্য সরকারের বিদ্যুৎ ভবনের তরফে ৯ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছিল৷ যার অন্যতম সদস্য ছিলেন পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়৷ নাম না করে পরমব্রতর যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী৷ কোন যোগ্যতায় কমিটিতে ঠাঁই হয়? প্রশ্ন তুলতে শুরু করেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক।
বিজেপি নেতা ট্যুইট করে জানিয়েছিলেন, ‘‘সরকার পন্থী অবস্থানই যদি এই কমিটি নির্বাচনের মানদণ্ড হয়, তাহলে বলতেই হচ্ছে সংশ্লিষ্ট এলাকার মানুষের দীর্ঘমেয়াদী সুবিধাগুলি বঞ্চিত হবে৷ তার পরিবর্তে এই কমিটির প্রধান উদ্দেশ্য থাকবে, যেন তেন প্রলোভন দেখিয়ে এলাকার স্থানীয় বাধাকে দূর করা৷ অর্থাৎ স্থানীয় বাসিন্দাদের আরও বঞ্চনা করা৷’’
দেউচা পাঁচামিতে বিশেষ দায়িত্ব পেয়েছিলেন, এবার তৃণমূলের প্রচারে ‘সক্রিয়’ পরমব্রত!

আর সময় বদলে পুর নির্বাচনে তৃণমূলের সরাসরি প্রচারে দেখা গেল পরমব্রতকে৷ তিনি বলেন,”সারা দেশের মধ্যে যারা দেখিয়ে দিয়েছেন বিজেপিকে প্রতিরোধ করা সম্ভব, সেটা তৃণমূল কংগ্রেস এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এনিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। দ্বিতীয় কথা আমি কোনও সরাসরি রাজনৈতিক দল করি না। আগামী দিনেও করার কোনও পরিকল্পনা নেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভিসনের প্রতি শ্রদ্ধা করি৷ রাজনৈতিক হিসাবে নয়, বরং ব্যক্তিগত তাগিদে আসা”।



