নজরবন্দি ব্যুরোঃ দিন কয়েক আগেই বর্ধমানের সভামঞ্চ থেকে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। হাতে সময় মাত্র ছয় মাস৷ জল প্রকল্প থেকে গ্রামীণ রাস্তা পঞ্চায়েতের সমস্ত প্রকল্পের কাজ মাত্র ছয় মাসের মধ্যে সেরে ফেলার নির্দেশ দিলেন মুখ্যসচিব হরেকৃষ্ণ দ্বিবেদী। তবে কী মুখ্যমন্ত্রীর কথামতো এগিয়ে আসছে পঞ্চায়েত নির্বাচন? প্রশ্ন উঠেছে রাজনৈতিক মহলে৷
আরও পড়ুনঃ ভয়ানক ক্ষতি করার চক্রান্ত? মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে লোহার রড সঙ্গে নিয়ে ঢুকেছিল হাফিজুল


বর্ধমানের সভামঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, যে কোনও দিন নির্বাচন ঘোষণা হয়ে যাবে। তাই কাজগুলো ঝটপট করুন৷ নাহলে নির্বাচনে ললিপপ খাবেন। মুখ্যমন্ত্রীর এই কথাতেই বোঝা যাচ্ছিল এগিয়ে আসতে পারে নির্বাচন৷ এবার মুখ্যসচিবের নির্দেশে সেই জল্পনা আরও জোরালো হয়েছে। মনে করা হচ্ছে মে মাসের আগেই এবারে হতে পারে নির্বাচন।

সোমবার মুখ্যসচিব হরেকৃষ্ণ দ্বিবেদী নির্দেশ দেন, গ্রামীণ রাস্তা, জল প্রকল্প, বসত বাড়ি, গ্রামীণ বাড়িতে টয়লেট তৈরির প্রকল্পের কাজ দ্রুত শেষ করে ফেলতে হবে। পাশাপশি গ্রামীণ এলাকায় একশো দিনের কাজে গতি আনতে হবে। প্রয়োজনে পঞ্চায়েতের গ্রামসভার সদস্য এবং পঞ্চায়েত কর্মীদের আরও সক্রিয় হতে হবে। গোটা কাজের বিষয়টি তদারকি করবেন বিডিওরা৷ মানুষ কোন কাজ আগে চাইছে? সেবিষয়েও কথা বলতে হবে৷



তবে ২১ জুলাইয়ের প্রস্তুতি সভা থেকেই পঞ্চায়েত নির্বাচনের কাজ শুরু করেছে সমস্ত দলগুলি৷ তৃণমূল সূত্রে খবর, এখন থেকেই জেলা সংগঠনে জোর দেওয়া হচ্ছে৷ পরে রাজ্য নেতৃত্বের নির্দেশ এলেই শুরু হবে কাজ। আপাতত সরকারের প্রকল্পের কথা বাড়ি বাড়ি প্রচার করছেন তাঁরা৷
৬ মাস পরেই পঞ্চায়েত নির্বাচন? সমস্ত প্রকল্পের কাজ সেরে ফেলার নির্দেশ নবান্নের।

অন্যদিকে, সমস্ত আটঘাট বেঁধে একেবারে পরিকল্পনামাফিক পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করেছে বামেরাও। বিধানসভা নির্বাচনে দলের বিপর্যয়ের পর যেভাবে জেলায় জেলায় ঘুরে দাঁড়াচ্ছে লাল পতাকা, তাতে কর্মীরা উজ্জীবিত। এটাই তাঁদের জন্য ঘুরে দাঁড়ানোর বড় চ্যালেঞ্জ।
একইসঙ্গে সর্বশক্তি দিয়ে এবারের নির্বাচনী প্রচারে নামতে চায় বিজেপিও। জেলায় জেলায় আগের থেকে সংগঠন দুর্বল হলেও এত সহজে হাল ছাড়তে নারাজ গেরুয়া শিবিরের শীর্ষ নেতৃত্ব৷ একাধিক জায়গায় পঞ্চায়েত গঠনের সমূহ সম্ভাবনার কথা দাবি করছেন পদ্ম শিবিরের নেতারাও।








