নজরবন্দি ব্যুরোঃ পুরনো পাকিস্তান ফিরিয়ে দেবার আশা জাগিয়ে ইমরান খান সরকারকে সরিয়ে পাক মসনদে বসেছিলেন শাহবাজ শরিফ। কিন্তু সেই আশা দূরে থাক এই মুহূর্তে চরন আর্থিক দুরবস্থার মদ্ধে দিয়ে জাচ্ছে ভারতের এই প্রতিবেশী দেস। এই আর্থিক সংকট মুকাবিলা করতে গত কালই দেশের শিল্পে নতুন কর ধার্য করেছে শরিফ সরকার।
আরও পড়ুনঃ IPL এ দু’বার সৌরভের আমন্ত্রণ ফিরিয়েছেন রামিজ! কিন্তু কারন কি? জানালেন PCB প্রধান


আর এবার এবার প্রবল কাগজ সংকট দেখা দিল পাকিস্তানে। তার জেরে নয়া শিক্ষাবর্ষে পড়ুয়ারা আদৌও বই জুটবে কিনা, তা নিয়ে আশঙ্কায় ভুগছে পাকিস্তানের পেপার অ্যাসোসিয়েশন। এমনটাই জানাল সংবাদসংস্থা এএনআই। তাঁরা এই মুহূর্তে আগামী শিক্ষাবর্ষের সমস্ত পাঠ্যপুস্তক ছাপা বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

এমন পরিস্থিতির জন্য সে দেশের সরকারের ‘ভুল নীতি’ দায়ী বলে অভিযোগ পাকিস্তানের কাগজ এবং মুদ্রণ ব্যবসায়ীদের। পাকিস্তানের কোষাগার কার্যত গড়ের মাঠ। বিদেশি মুদ্রার ভাণ্ডার ঠেকেছে তলানিতে। পাকিস্তানের স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সংবাদসংস্থা এএনআই জানিয়েছে, নিত্যদিন পাকিস্তানে কাগজের দাম বাড়ছে।



লাগামছাড়া হয়ে উঠেছে দাম। সেই পরিস্থিতিতে বই মুদ্রণের ক্ষেত্রে সমস্যা বাড়ছে। কত টাকা দাম ধার্য করা হবে, তা নিয়ে ধন্দে আছেন পাকিস্তানের মুদ্রণকারী সংস্থাগুলি। ইতিমধ্যে সিন্ধ, পঞ্জাব এবং খাইবার পাখতুনখাওয়া স্কুলের পাঠ্যবই মুদ্রণ করতে পারেনি।উল্লেখ্য, করোনা মহামারী, অপশাসন ও ঋণের ভারে পাকিস্তানের অর্থনীতি কার্যত হাঁটু গেড়ে বসে পড়েছে।

চরম সংকটে পাকিস্তান, আর্থিক সমস্যায় পাঠ্যবই ছাপানো বন্ধ করল সেদেশের মুদ্রণ ব্যবসায়ীরা
জোর ধাক্কা খেয়েছে পণ্য উৎপাদন ও রপ্তানি। ফলে তলানিতে ঠেকেছে বিদেশি মুদ্রা ভাণ্ডার। ফলে খাবার থেকে ওষুধ সবকিছুরই দাম ভয়ানক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। খাদ্য ও ওষুধের মতো জরুরি পণ্যের জোগান বজায় রাখতে সমস্ত ‘অপ্রয়োজনীয়’ বিলাসী পণ্য আমদানি নিষিদ্ধ করেছে শাহবাজ শরিফের সরকার।







