নজরবন্দি ব্যুরোঃ রাজস্থানের উদয়পুরে দর্জির নৃশংস হত্যাকাণ্ডের অভিযুক্ত মহম্মদ রিয়াজ আত্তারি এবং গৌস মহম্মদ সম্পর্কে বড় তথ্য সামনে এসেছে। দুই অভিযুক্তই ‘দাওয়াতে ইসলামী’ সংগঠনের সঙ্গে জড়িত বলে জানা গিয়েছে। দাওয়াত-ই-ইসলামি একটি ধর্মীয় সংগঠন।
আরও পড়ুনঃ দেশ জুড়ে বাড়ছে করোনা! সব রাজ্যকে টেস্ট ও টিকাকরণে জোর দেওয়ার নির্দেশ কেন্দ্রের


ধর্মীয় কথা প্রচারের জন্য এটি গঠন করা হয়েছিল। ‘দাওয়াতে ইসলামী’ পাকিস্তান থেকে গঠিত এবং পরিচালিত হয় এবং এর নেটওয়ার্ক বিশ্বের ১৯৪টি দেশে বিস্তৃত। ১৯৮১ সালে পাকিস্তানের করাচিতে মৌলানা ইলিয়াস আত্তারি ‘দাওয়াত-ই-ইসলামী’ গঠন করে। ইলিয়াস আত্তারির কারণে দাওয়াত-ই-ইসলামীর সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা তাঁদের নামের সঙ্গে আত্তারি লাগান।

উদয়পুরের ঘটনায় অভিযুক্ত মহম্মদ রিয়াজও নিজের নামের সঙ্গে আত্তারি ব্যবহার করত। গোয়েন্দা সূত্রে খবর, এই দু’জনকে এই জঘন্য কাজে ‘অনুপ্রাণিত’ করেছিল পাকিস্তানের দুই দুষ্কৃতী সলমন হায়দার এবং আবু ইব্রাহিম। নূপুর শর্মার মন্তব্যের পর থেকেই ‘বড়সড়’ হামলা করতে রিয়াজ এবং ঘুসেকে প্ররোচনা দিয়েই যাচ্ছিল দুই পাক জঙ্গি।



উদয়পুর হত্যাকাণ্ডে পাক যোগ! দুই অভিযুক্তই ‘দাওয়াতে ইসলামী’ সংগঠনের সঙ্গে জড়িত
সে কারণেই আরডিএক্স জোগাড়ের চেষ্টায় ছিল রিয়াজরা। গত মঙ্গলবার পেশায় দর্জি কানহাইয়া লালের মাথা কেটে নেয় রিয়াজ এবং ঘুসে। শিরোচ্ছেদ করার সেই নারকীয় দৃশ্য সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে এই হত্যার দায়স্বীকারও করে তারা। এরপরে রাজসামান্দ থেকে গ্রেপ্তার করা হয় তাদের। পাকিস্তানের ধর্মীয় সংগঠন দাওয়াত-এ-ইসলামির সঙ্গে এই দু’জনের যোগাযোগ আছে বলে খবর।
সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে
Google News এবং Google Discover-এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।



