Home Blog Page 6353

করোনার গ্রাসে রাজ্য; দেখুন জেলাভিত্তিক পরিসংখ্যান। #Exclusive

5th july corona update

নজরবন্দি ব্যুরোঃ রাজ্যে কার্যত দূর্বার গতি নিয়েছে করোনা ভাইরাস! অনেকে সুস্থ হয়ে উঠলেও কার্যত করোনার গ্রাসে রাজ্য। গত ২৪ ঘন্টায় ফের ৬৬৯ জন আক্রান্ত হয়েছেন করোনা ভাইরাসে এবং মৃত্যু হয়েছে ১৮ জনের। লকডাউনের মেয়াদ বাড়লেও কার্যত লকডাউন উঠে গিয়েছে রাজ্য তথা দেশে, ফলে করোনা ভাইরাস এখন প্রত্যেক মূহুর্তে বাড়াচ্ছে তার তীব্রতা।লাগামহীন করোনা। আজ ফের ব্যাপকহারে সংক্রমণ বাড়ায় রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা পেরোল ২০ হাজার মৃত্যু ৭১৭ জনের!

সংক্রমণ এবং মৃত্যুর নিরিখে দেশে প্রতিদিনই তৈরী হচ্ছে নতুন নতুন রেকর্ড। আজকের বুলেটিনে রাজ্য সরকারের স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছে রাজ্যে গত ২৪ ঘন্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ৬৬৯ জন।নতুন ৬৬৯ জন আক্রান্ত কে নিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০ হাজার ৪৮৮ জন। পাশাপাশি মৃত্যুমিছিলও অব্যাহত রয়েছে রাজ্যে। এদিনের বুলেটিনে রাজ্য সরকার জানিয়েছে সার্বিক ভাবে গত ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু বেড়েছে আরও ১৮ টি। যা নিয়ে রাজ্যে করোনা ভাইরাসে মৃত্যু সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭১৭।

এদিকে একই ভাবে রাজ্যের সব জেলা গুলির মধ্যে কলকাতার হাল সবচেয়ে খারাপ। কলকাতায় এদিন নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১৮২ জন। যা কলকাতায় করোনা সংক্রমণের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। এদিনের ১৮২ জন কে নিয়ে কোলকাতায় মোট সংক্রামিত হয়েছেন ৬ হাজার ৬২২ জন। এদিন কলকাতায় মৃত্যু সংখ্যা বেড়েছে ৮ টি যা নিয়ে কলকাতায় এখন পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে মোট ৪০২ জনের। অন্যদিকে কলকাতায় এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৪ হাজার ১৪২ জন এবং এই মুহুর্তে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ২ হাজার ৭৮ জন

পাশাপাশি সংক্রমণের নিরিখে কদিন আগেই হাওড়া কে ছাপিয়ে গিয়েছে জেলা উত্তর ২৪ পরগণা, এদিন জেলাজুড়ে মোট সংক্রামিত হয়েছেন ১৩৪ জন যা নিয়ে মোট সংখ্যাটা দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৩৮২। এই জেলায় এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১ হাজার ৯১৩ জন এবং এদিন ৩টি বেড়ে মোট মৃত্যু হয়েছে ১১১ জনের। জেলাজুরে এখন চিকিৎসাধীন ১ হাজার ৩৫৮ জন

অন্যদিকে হাওড়া জেলাতে সংক্রমণের গতি ফের বেড়েছে এদিন। গত ২৪ ঘন্টায় হাওড়া তে মোট সংক্রামিত হয়েছেন ১০২ জন, যা নিয়ে জেলায় মোট সংক্রামিতের সংখ্যা দাঁড়াল ২ হাজার ৯২৮ জন। যার মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ৯৭৪ জন এবং এদিন ৩টি বেড়ে মোট মৃত্যু হয়েছে ১০৪ জনের।

হুগলী এবং দক্ষিন ২৪ পরগণা জেলার ক্ষেত্রেও বেড়েই চলেছে আক্রান্তের সংখ্যা। হুগলীতে এদিন নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৬২ জন! যা নিয়ে জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১১৮ এই জেলায় মৃত্যু হয়েছে ২৬ জনের। দক্ষিন ২৪ পরগনায় এদিন আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে ৬২, যা নিয়ে মত আক্রান্তের সংখ্যা ১ হাজার ২৫৪। এই জেলায় মৃত্যু হয়েছে ৩০ জনের।
দেখুন সার্বিক পরিসংখ্যান

WB DHFW Bulletin 3rd JULY REPORT FINAL page 002

সংকটজনক পরিস্থিতি, রাজ্যে ফের আক্রান্ত ৬৬৯ জন; মৃত্যু বেড়ে ৭১৭!

Mamata banerjee

নজরবন্দি ব্যুরোঃ রাজ্যে ফের আক্রান্ত ৬৬৯ জন! লকডাউনের মেয়াদ বাড়লেও কার্যত লকডাউন উঠে গিয়েছে রাজ্য তথা দেশে, ফলে করোনা ভাইরাস এখন প্রত্যেক মূহুর্তে বাড়াচ্ছে তার তীব্রতা। গত কয়েক দিন ধরেই রাজ্যে উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ। কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগণা, দক্ষিন ২৪ পরগণা, হাওড়া এবং হুগলী তে কার্যত বেলাগাম করোনা ভাইরাস। বাদ নেই উত্তরের জেলা গুলিও, কার্যত সংকট জনক পরিস্থিতি দার্জিলিং জেলায়।

সংক্রমণ এবং মৃত্যুর নিরিখে দেশে প্রতিদিনই তৈরী হচ্ছে নতুন নতুন রেকর্ড। দেশজুড়ে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ৬ লক্ষ ৩৫ হাজার ২২ জন, ইতিমধ্যেই বেশির ভাগ আক্রান্ত সুস্থ হয়ে উঠলেও মৃত্যু হয়েছে বিপুল সংখ্যায়। এখন পর্যন্ত দেশ জুড়ে মৃত্যু হয়েছে ১৮ হাজার ৩৫২ জন করোনা আক্রান্তের। অন্যদিকে এখন পর্যন্ত দেশজুড়ে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৩ লক্ষ ৮৪ হাজার ৮৪৬ জন।

রাজ্যেও কার্যত দূর্বার গতি নিয়েছে করোনা ভাইরাস! গতকাল আক্রান্ত হয়েছিলেন ৬৪৯ জন; মৃত্যু হয়েছিল ১৬ জনের জনের। চলতি সপ্তাহে টানা চার দিন ধরে করোনা তার ব্যাপকতা বাড়িয়েছে রাজ্যে ফলে টানা ৪ দিন রাজ্যে আক্রান্ত হয়েছেন ৬০০-র বেশি মানুষ। অন্যদিকে আজকের বুলেটিনে রাজ্য সরকারের স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছে রাজ্যে গত ২৪ ঘন্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ৬৬৯ জন। নতুন ৬৬৯ জন আক্রান্ত কে নিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০ হাজার ৪৮৮ জন।

পাশাপাশি মৃত্যুমিছিলও অব্যাহত রয়েছে রাজ্যে। এদিনের বুলেটিনে রাজ্য সরকার জানিয়েছে সার্বিক ভাবে গত ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু বেড়েছে আরও ১৮ টি। যা নিয়ে রাজ্যে করোনা ভাইরাসে মৃত্যু সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭১৭।
পাশাপাশি গত ২৪ ঘন্টায় রাজ্য জুড়ে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৫৩৪ জন। এদিনের ৫৩৪ জন কে নিয়ে রাজ্যে এখন পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১৩ হাজার ৫৭১ জন। এদিন ৫৩৪ জন সুস্থ হয়ে রাজ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৬৬.২৩ শতাংশ করোনা আক্রান্ত। অন্যদিকে এই মুহুর্তে রাজ্যে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৬ হাজার ২০০ জন।

অর্থাৎ গতকালের থেকে চিকিৎসাধীন আক্রান্ত বেড়েছে ১১৭! পাশাপাশি রাজ্য সরকারের তথ্য অনুযায়ী গত ২৪ ঘন্টায় টেস্ট হয়েছে ১১ হাজার ৫৩ টি, যা এখন পর্যন্ত রাজ্যে সর্বমোট টেস্টের সংখ্যা ৫ লক্ষ ১৯ হাজার ৫৪। প্রতি ১০ লক্ষ মানুষ পিছু রাজ্যে পরীক্ষা হয়েছে ৫ হাজার ৭৬৭ জনের।

বাতিল হল কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পরীক্ষা।

Calcutta University

নজরবন্দি ব্যুরো: করোনার জের। বাতিল কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পরীক্ষা। করোনা পরিস্থিতিতে পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব নয় বলে মেনে নিল কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়। ফলে উচ্চ মাধ্যমিকের পর আরও পরীক্ষা বাতিল করে দেওয়া হল।করোনা পরিস্থিতিতে পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব নয় বলে সাফ জানিয়ে দিল কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়।

বৃহস্পতিবার ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত নিয়ামক কমিটি সিন্ডিকেট ভারচুয়াল বৈঠক। আর সেখানেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।এদিন উপাচার্য সোনালি চক্রবর্তী বন্দোপাধ্যায় জানান, করোনা পরিস্থিতিতে ছাত্র-ছাত্রীদের এনে পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব নয়। পূর্ববর্তী নম্বরের ভিত্তিতে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তরের চূড়ান্ত বর্ষের ছাত্রছাত্রীদের ফল প্রকাশ করা হবে। ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে সবার ফল প্রকাশিত হবে।রাজ্যের সব বিশ্ববিদ্যালয়ে সুপারিশ পাঠিয়েছে উচ্চশিক্ষা দফতর। যাতে ফলপ্রকাশের পদ্ধতি বলা হয়েছে। সুপারিশে বলা হয়েছে, স্নাতক স্তরের পরীক্ষার্থীদের ফাইনাল সেমিস্টারের নম্বর ঠিক করা হবে দুই পর্যায়ে।

আগের ৫ টি সেমিস্টারের নম্বরের ভিত্তিতে শেষ সেমিস্টারের ৮০ শতাংশ নম্বর দেওয়া হবে। বাকি ২০ শতাংশ নম্বর দেওয়া হবে ইন্টারনাল অ্যাসেসমেন্টের ভিত্তিতে।স্নাতকোত্তর পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রেও একই রীতি। কোনও পড়ুয়া যদি নিজের প্রাপ্ত নম্বরে সন্তুষ্ট না হন, তাহলে তিনি পরীক্ষা দেওয়ার জন্য আবেদন করতে পারেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেই তাঁর পরীক্ষা নেওয়া হবে। আগামী ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে স্নাতক ও স্নাতকোত্তরের চূড়ান্ত বর্ষের ফলাফল প্রকাশ করা হবে।

কম উপসর্গযুক্ত করোনা রোগীদের জন্য সেফ হোম চালু করল রাজ্য সরকার।

নজরবন্দি ব্যুরো: ICMR-এর গাইডলাইন মেনে উপসর্গহীন বা সামান্য উপসর্গযুক্ত কোভিড রোগীদের জন্য সেফ হোম চালু করে দিল রাজ্য সরকার। বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্রদপ্তর একটি টুইট করে এই খবর জানায়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগেই এই সংক্রান্ত ঘোষণা করেছিলেন। তা ইতিমধ্যে চালু করা হল বলে এদিন টুইট করে জানিয়েছে স্বরাষ্ট্রদপ্তর।

বলেছে, এটি একটি উদ্ভাবনী, পথ প্রদর্শক এবং অনন্য ভাবনা।কোভিড পজিটিভ হলেও অনেক রোগীই নিজের খরচে বা নিজেদের সুবিধামতো বাড়িতে আইসোলেশনে থেকে চিকিত্‍সা করতে পারেন না। তাদের জন্যই বিনামূল্যে কোভিড হাসপাতাল লাগোয়া এলাকায় আইসোলেশন-সহ থাকা, খাওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। যাকে সেফ হোম নাম দেওয়া হয়েছে। এ জন্য স্বাস্থ্যদপ্তর ৬ হাজার ৯০৮ শয্যার ১০৬টি সেফ হোম তৈরি করা হয়েছে। যেখান থেকে কোনও আপত্‍কালীন পরিস্থিতিতে রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া সম্ভব।


বেসরকারি হাসপাতালে কোভিড চিকিত্‍সায় Prawn পদ্ধতি বাধ্যতামূলক করল রাজ্য।রাজ্যে এখনও পর্যন্ত ৭৭টি কোভিড হাসপাতাল রয়েছে। তবে বারবারই কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকারের তরফে নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, মৃদু উপসর্গযুক্ত রোগীদের হাসপাতালে ভরতি হওয়ার কোনও প্রয়োজনীয়তা নেই। এবার তাঁদের জন্য নয়া ব্যবস্থা রাজ্যের। তৈরি করা হয়েছে সেফ হোম সেন্টার। সেখানে একেবারেই মৃদু উপসর্গযুক্ত করোনা রোগীদের রাখা হবে। চিকিত্‍সকরাই তাঁদের চিকিত্‍সা করবেন। এছাড়াও করোনা রোগীদের জন্য আর কত বেড বাকি রয়েছে সে বিষয়ে প্রতিদিন ঘণ্টায় ঘণ্টায় বেসরকারি হাসপাতালগুলিকে আপডেট দিতে বলে আগেই নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে খাদ্য তালিকায় কি রাখবেন?

Happy Childreans Day

নজরবন্দি ব্যুরোঃ শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে খাদ্য তালিকায় কি রাখবেন? রোগের সাথে লড়াই করতে হলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো হওয়া খুব জরুরি। অর্থাৎ যার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা যত বেশি, তাঁর শরীর তত ভালো রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সক্ষম। সাথে নানান ধরনের সংক্রমণের ঝুঁকিও অনেকাংশে কমে যায়। শিশু থেকে প্রাপ্ত বয়স্ক ব্যক্তি সবার জন্যই বিষয় টা এক। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করার জন্য প্রয়োজন একটা সঠিক খাদ্য তালিকার এবং সঠিক খাদ্যাভ্যাসের।

প্রত্যেক বয়সের মানুষের ক্ষেত্রে আলাদা আলাদা খাদ্য তালিকার প্রয়োজন। প্রাপ্ত বয়স্করা এই বিষয়ে নিজেরাই চিন্তা করতে পারে কিন্তু শিশুরা পারে না। আর শিশু বয়স থেকেই সঠিক খাদ্যাভ্যাস খুব জরুরি। তাই শিশুদের ফিট রাখার জন্য একটা ভালো ডায়েটের প্রয়োজন শুরু থেকেই। শিশুরা সমস্ত কিছু খেতে ভালোবাসে না তাই তাদের পুষ্টির ব্যাপারে ভীষণ ঝামেলায় পড়তে হয়। তাদের পছন্দের তালিকায় থাকে জাঙ্ক ফুড। পরিমান মত খাওয়ার না খাওয়ায় তাদের পুষ্টি সম্পুর্ন হয় না। ফলে তাদের নিয়ে অনেক সমস্যায় পড়তে হয়।

তাই মা বাবাদের জন্য জানা টা খুব জরুরি যে ঠিক কোন খাবারগুলো খাওয়ানো জরুরি। যা শিশুর শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করবে এবং পুষ্টির ঘাটতি মেটাবে। শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে যেসব খাওয়ার গুলি খাদ্য তালিকায় থাকা জরুরি, সেগুলি হল মায়ের দুধ, দই, ডিম, সবুজ শাকসবজি, বাদাম, রসুন, ফল। অনেকের ধারণা রসুন শিশুদের দেওয়া উচিৎ নয়। কিন্তু এই ধারণাটা সম্পুর্ন ভুল। রসুন মানব শরীরকে অনেক সংক্রমণের হাত থেকে রক্ষা করা তাই শিশুদের খাদ্য তালিকায় রসুন রাখাই যেতে পারে। তবে পরিমাণ কতটা হওয়া দরকার সেই দিকে খেয়াল রাখতে হবে। এই ধরণের খাদ্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান রোগ শিশু শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে এবং অন্যান্য চাহিদা পূরণ করতে সাহায্য করে।

স্বাস্থ্য বিধি মেনে ৬০ জন মহিলা রক্তদান করলেন পূর্ব বর্ধমানে।

কল্যান দত্ত, পূর্ব বর্ধমানঃ পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরে মহিলাদের সচেতনতার স্বার্থে ৭ দিন ব্যাপী মহিলাদের নিয়ে যে রক্তদান শিবির আয়োজন হয়েছিল আজ ষষ্ট দিন পূর্ণ হলো। স্বাস্থ্য বিধি মেনে ৬০ জন মহিলা রক্তদান করলেন। পূর্ব বর্ধমান জেলার, জামালপুর পঞ্চায়েত সমিতির উদ্যোগে ও জামালপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মেহমুদ খানের পরিচালনায় ৭দিন ব্যাপী মহিলাদের জন্যে একটি রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়েছিল।

উক্ত রক্তদান শিবিরের আজ ষষ্ঠ দিন পূর্ণ হলো স্বাস্থ্য বিধি মেনে। এদিন প্রায় ৬০ জন মহিলা রক্তদাতা তাদের অমূল্য রক্ত দান করেছেন ।
যেখানে সাম্প্রদায়িক অশুভ শক্তি প্রতিনিয়ত মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে সেই জায়গায় রক্তদান শিবিরে ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে বাড়ির মহিলারা স্বেচ্ছায় রক্তদান করছেন এবং বুঝিয়ে দিচ্ছেন মানুষ মানুষের জন্য। এমনটাই জানান রক্তদান শিবিরের উদ্যোক্তা থেকে আগত উৎসাহী রক্তদাতারা।

রক্তদান শিবির এর প্রধান উদ্যোক্তা তথা জামালপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মেহেমুদ খান বলেন
ব্লাড ব্যাংক গুলিতে রক্তের অভাব দূর করতে এবং বাড়ির মহিলারা সাধারনত সব সময় রক্তদান করার সুযোগ পান না তাই শুধুমাত্র মহিলাদের উদ্যেশ্যেই রক্তদান শিবিরের আয়োজন।

শিলিগুড়ি কমিশনারেটে করোনা আক্রান্ত ২ পুলিশ কর্মী!

কুশল দাসগুপ্ত, দার্জিলিংঃ শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনারেটের এক ইনষ্পেকটার এবং একজন কনষ্টেবল আজ করোনা আক্রান্ত হয়ে নার্সিংহোমে ভর্তি হলেন।আজ ওই দুজনের একজনকে দিশান হাসপাতালে এবং অন্য আরেকজনকে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করা হয়েছে।আজ এই দুজনের করোনা আক্রান্ত হবার খবরে চারিদিকে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে পুলিশ মহলে।ওই ইনষ্পেকটার আগে ভক্তিনগরে কর্মরত ছিলেন,পরে তার পদোন্নতি হয় এবং তিনি পুলিশ কমিশনারেটে যোগদান করেন।

পুলিশ কমিশনারেটে করোনা আক্রান্ত হবার খবর চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ায় একের পর এক ফোন আসতে থাকে কমিশনারেট অফিসে।এদিকে ওই দুজনের করোনা আক্রান্ত হবার পরে কমিশনারেট বন্ধ রাখা হবে কি না তা নিয়েও কথা উঠছে।তবে এদিন সকালে দমকলকে দিয়ে পুরো কমিশনারেটকে সানেটাইজ করিয়ে দেওয়া হয়।

অন্যদিকে, শিলিগুড়ির ৩ নং ওয়ার্ডে এক করোনা সংক্রমনিত ব্যক্তির পরিবারের জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিল ৩নং ওয়ার্ড তৃণমূল কংগ্রেস। প্রসঙ্গত, বুধবার রাতে ৩ নম্বর ওয়ার্ডে একজন করোনা আক্রান্ত হন।ঘটনার খবর পেয়ে ওই পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন ৩ নম্বর ওয়ার্ড তৃণমূল কংগ্রেস কমিটির সভাপতি সন্তোষ সাহা।কমিটির তরফে ১ মাসের খাদ্যসামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।

দার্জিলিং জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি রঞ্জন সরকার বলেন, ওই পরিবারটিকে ১ মাসের খাদ্যসামগ্রী দিয়ে সাহায্য করা হয়েছে।আগামীতে যদি কোনোরকম সাহায্যের প্রয়োজন হয় তবে যথাসম্ভব সাহায্য করা হবে।

পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষ সরকারি উদ্যোগে বিতরণ করা হলো শঙ্কর প্রজাতির গাভী।

bardhaman

কল্যান দত্ত, পূর্ব বর্ধমানঃ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রাণিসম্পদ দপ্তর এর পক্ষ থেকে, পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষ ব্লক প্রাণিসম্পদ দপ্তর এর উদ্যোগে, খণ্ডঘোষ ব্লক এলাকায় পাঁচজন প্রাণী পালক মানুষের হাতে সংকর প্রজাতির গবাদিপশু প্রদান করা হল আজ। এই পাঁচজন প্রাণিপালকের হাতে গাভী তুলে দেওয়ার সাথে সাথে, গো খাদ্যের যাবতীয় সরঞ্জাম সহ ওষুধপত্র এবং গবাদি পশু রাখার জন্য ব্যাংক একাউন্ট মারফত প্রাণী পালক বন্ধুদের ৪০০০ টাকা করে প্রদান করা হয়।

এবং আগামী দিনে প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থাও করবে খণ্ডঘোষ প্রাণিসম্পদ দপ্তর, বলে জানা যায়। উন্নত প্রজাতির গবাদি পশু বিতরণী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন খণ্ডঘোষ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি অসিত বাগদী, খণ্ডঘোষ ব্লক উন্নয়ন সমষ্টি আধিকারিক কমল কান্তি তলাপাত্র, পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের সদস্য বিশ্বনাথ রায়, খণ্ডঘোষ প্রাণিসম্পদ দপ্তর এর কর্মদক্ষ শেখ মইনুদ্দিন সহ অন্যান্যরা। জানা যায় গবাদি পশুর তুলে দেওয়ার সাথে সাথে গবাদি পশুদের উদ্যেশ্যে একটি করে বীমার ও ব্যবস্থা করে দেওয়া হয় পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে।

অনুষ্ঠান শেষে পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের সদস্য বিশ্বনাথ রায় জানান, মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির নির্দেশে রাজ্যে দুধের ঘাটতি মেটাতে ও গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর আয় বাড়াতে উন্নত মানের গবাদি পশু গোপালক বন্ধুদের হাতে তুলে দেওয়া হলো।

পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের দ্বিমুখী নীতির পর্দা ফাঁস! নিষ্ঠুর বঞ্চনার অভিযোগ।

Primary Recrutement Controversy
Primary Recrutement Controversy

নজরবন্দি ব্যুরোঃ নিয়োগে অস্বচ্ছতা এবং দুর্ণীতির অভিযোগে বরাবরই তৃণমূল সরকারের নাম বারংবার খবরের শিরোনামে উঠে এসেছে। তারমধ্যে সবচেয়ে বড়ো দুর্নীতি ও কেলেঙ্কারির অভিযোগ ২০১৪ এর প্রাথমিক টেট নিয়ে। পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের বিরুদ্ধে কখনো বেছে বেছে তৃণমূল ঘনিষ্ঠদের একাধারে চাকরি দেওয়া, আবার কখনো মোটা টাকার বিনিময়ে টেট ফেল করা প্রার্থীদেরও চাকরি দেওয়ার মতো মারাত্মক সব অভিযোগ রয়েছে।

অনেকক্ষেত্রেই দেখা গেছে এইসমস্ত অভিযোগের সারবত্ত্বা বা প্রমাণ মিলেছে। আর এইখানেই বঞ্চিত টেট উত্তীর্ণ প্রশিক্ষিত প্রার্থীরা ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন। তাঁদের অভিযোগ ২০১৫ এর টেটের বিজ্ঞপ্তিতে শূন্যপদ ছিলো প্রায় ৪৩,০০০ এবং পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য্য জানিয়েছিলেন ধাপে ধাপে ক্রমান্বয়ে ৪-৫ টি তালিকা প্রকাশ করে নিয়োগ সম্পূর্ণ করা হবে। কিন্তু বাস্তবক্ষেত্রে দেখা গেছে পর্ষদ কোনো প্যানেলই প্রকাশ করেই নি; মাত্র ২ টি ধাপে গোপনে SMS এর মাধ্যমে কারা চাকরি পেলো, কতজন চাকরি পেলো তার কোনো সঠিক হদিশই নেই।

কেলেঙ্কারি ঢাকতে এইরকম নজিরবিহীন পদক্ষেপ এর আগে কেউ কখনো দেখে নি। তাঁরা এও বলেন যে ২ টি ধাপে খুব বড়জোর ২৫-২৭ হাজার প্রার্থীকে নিয়োগ করেই ৪৩০০০ শূন্যপদে নিয়োগ হয়ে গেছে এরকম অসত্য কথা বলে পর্ষদ বাকি চাকরিপ্রার্থীদের সাথে চরম প্রতারণা করেছে কারণ হাইকোর্টেও পর্ষদ ৪৩০০০ হাজার প্রার্থীই নিয়োগ হয়ে গেছে এমন কোনো প্রমাণ দাখিল করতে পারে নি। টেট আন্দোলন ও প্রশিক্ষিত টেট উত্তীর্ণ প্রাথীদের সংগঠক শংকর প্রসাদ খাঁ আক্ষেপ প্রকাশ করে জানিয়েছেন যে, “বেকারদের নিয়ে বর্তমান সরকারের ভূমিকা খুবই হতাশাজনক। বর্তমান সরকার বেকারদের প্রতি সহানভূতিশীল নয়। তাঁরা কিভাবে নিজেদের গদি ধরে রাখবেন সেই স্ট্র্যাটিজি নিয়ে ব্যস্ত, ক্লাবগুলোতে লক্ষ লক্ষ টাকা অনুদান দিচ্ছেন, চাকুরীজীবিদের বোনাস বাড়াচ্ছেন অথচ যারা প্রাথমিকে টেট পাশ করে ও প্রশিক্ষণ নিয়েও বেকারত্বের জ্বালায় তাদের দরজায় দরজায় ঘুরে বেড়াচ্ছে তাদের প্রতি সরকারের কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই”।

আর এক টেট উত্তীর্ণ ও প্রশিক্ষিত প্রার্থী স্বদেশ ঘোষ জানিয়েছেন সংবাদমাধ্যমে শিক্ষামন্ত্রী ঘোষণা করেছিলেন প্রশিক্ষিত প্রার্থীদের পরেই নিয়োগে প্রশিক্ষণরতদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে, সেই অনুযায়ী সেই সময়ে একমাত্র ২০১৪-২০১৬ ও ২০১৫-২০১৭ এই দুটি ব্যাচই প্রশিক্ষণরত অবস্থায় ছিলো, কিন্তু সরকারী প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে পর্ষদ অর্ধপ্রশিক্ষিতদের নিয়োগে সুযোগ না দিয়ে প্রচুর অপ্রশিক্ষিত প্রার্থী নিয়োগ করেছে। পরবর্তীকালে একটা বিজ্ঞপ্তি জারির মাধ্যমে ২০১৪-২০১৬ ব্যাচ ও RCI স্বীকৃত ২০১৫-২০১৭ ডি এড ব্যাচকে নিয়োগ পর্বের আওতায় আনা হলেও পর্ষদ বেআইনিভাবে পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ অধীনস্থ ২০১৫-২০১৭ ব্যাচকে সম্পূর্ণভাবে বঞ্চিত করেছে। তাঁরা ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে বলেছেন, বাইরের বোর্ড থেকে যারা ১৫-১৭ সেশনে ট্রেনিং করেছে পর্ষদ তাদেরকে চাকরি দিয়ে দিয়েছে অথচ পর্ষদ তার নিজের বোর্ডে থেকে যারা ওই একই সেশনে ট্রেনিং সম্পন্ন করেছে তাদেরকে সেই সুযোগ দেয় নি। এখানেই পর্ষদের বিরুদ্ধে দ্বিচারিতা করার মারাত্মক অভিযোগ উঠছে। পর্ষদের এই নিষ্ঠুর দ্বিমুখী নীতির প্রতিবাদে ১৫-১৭ সেশনে প্রশিক্ষিত টেট পাশ বঞ্চিত প্রার্থীদের পক্ষ থেকে আজ ২ রা জুলাই, বুধবার একাধিক প্রতিবাদ কর্মসূচী গ্রহণ করা হয়েছে।

একদিকে মুর্শিদাবাদ জেলার বঞ্চিত প্রার্থী নিতাই সরকার, আশিক আহমেদসহ প্রায় ২০ জন প্রশিক্ষিত প্রাথমিক টেট উত্তীর্ণ প্রার্থী জেলা ডি আই অফিসে তাদের বঞ্চনার কথা জানিয়ে তাঁদের স্বারকলিপি জমা দেন। আর অন্যদিকে গোটা রাজ্য থেকে ১৫-১৭ সেশনে প্রশিক্ষিত মোট ৩০০ জন টেট উত্তীর্ণ প্রার্থী শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নিকট গণ ইমেইল করে বঞ্চিত প্রার্থীদের অবিলম্বে নিয়োগপত্র দেওয়ার দাবি জানালেন। বিশেষজ্ঞদের মতে ৩ তারিখ মুখ্যমন্ত্রীর দলীয় মিটিং এর আগে বিক্ষুব্ধ চাকরী প্রার্থীদের এহেন কর্মসূচী এক আলাদা ইঙ্গিত বহন করছে। প্রশিক্ষিত টেট উত্তীর্ণ প্রার্থীদের সংগঠক শংকর প্রসাদ খাঁ স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, “আমরা দীর্ঘদিন ধরে সরকারের কাছে অনেক অনুনয় বিনয় করে আমাদের বঞ্চনার কথা জানিয়ে আসছি, এবং দ্রুত সমস্যা সমাধান করে প্রাথমিকে বঞ্চিত প্রার্থীদেরকে অবিলম্বে নিয়োগপত্র প্রদানের জন্য আর্জি জানিয়ে আসছি। কিন্তু কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে না। এতকিছুর পরেও যদি সরকার কোনো সদর্থক পদক্ষেপ গ্রহণ না করে, তাহলে আমাদেরকে অনশন, আন্দোলনের পথ বেছে নিতে হবে।”

রাজ্যে অব্যাহত করোনার দূর্বার গতি, একদিনে আক্রান্ত ৬৪৯ মৃত্যু ১৬ জনের। #BreakingNews

corona
Corona Virus update

নজরবন্দি ব্যুরোঃ  রাজ্যে ফের আক্রান্ত ৬৪৯ জন! লকডাউনের মেয়াদ বাড়লেও কার্যত লকডাউন উঠে গিয়েছে রাজ্য তথা দেশে, ফলে করোনা ভাইরাস এখন প্রত্যেক মূহুর্তে বাড়াচ্ছে তার তীব্রতা। গত কয়েক দিন ধরেই রাজ্যে উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ। কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগণা, দক্ষিন ২৪ পরগণা, হাওড়া এবং হুগলী তে কার্যত বেলাগাম করোনা ভাইরাস। বাদ নেই উত্তরের জেলা গুলিও, কার্যত সংকট জনক পরিস্থিতি দার্জিলিং জেলায়।

সংক্রমণ এবং মৃত্যুর নিরিখে দেশে প্রতিদিনই তৈরী হচ্ছে নতুন নতুন রেকর্ড। দেশজুড়ে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ৬ লক্ষ ৭ হাজার ৩৪৪ জন, ইতিমধ্যেই বেশির ভাগ আক্রান্ত সুস্থ হয়ে উঠলেও মৃত্যু হয়েছে বিপুল সংখ্যায়। এখন পর্যন্ত দেশ জুড়ে মৃত্যু হয়েছে ১৭ হাজার ৮৭৩ জন করোনা আক্রান্তের। অন্যদিকে এখন পর্যন্ত দেশজুড়ে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৩ লক্ষ ৬১ হাজার ১০৮ জন।

রাজ্যেও কার্যত দূর্বার গতি নিয়েছে করোনা ভাইরাস! গতকাল আক্রান্ত হয়েছিলেন ৬১১ জন; মৃত্যু হয়েছিল ১৫ জনের জনের। চলতি সপ্তাহে টানা তিন দিন ধরে করোনা তার ব্যাপকতা বাড়িয়েছে রাজ্যে ফলে টানা ৩ দিন রাজ্যে আক্রান্ত হয়েছেন ৬০০-র বেশি মানুষ। অন্যদিকে আজকের বুলেটিনে রাজ্য সরকারের স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছে রাজ্যে গত ২৪ ঘন্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ৬৪৯ জন। নতুন ৬৪৯ জন আক্রান্ত কে নিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯ হাজার ৮১৯ জন।

পাশাপাশি মৃত্যুমিছিলও অব্যাহত রয়েছে রাজ্যে। এদিনের বুলেটিনে রাজ্য সরকার জানিয়েছে সার্বিক ভাবে গত ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু বেড়েছে আরও ১৬ টি। যা নিয়ে রাজ্যে করোনা ভাইরাসে মৃত্যু সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৯৯।পাশাপাশি গত ২৪ ঘন্টায় রাজ্য জুড়ে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৫০৯ জন। এদিনের ৫০৯ জন কে নিয়ে রাজ্যে এখন পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১৩ হাজার ৩৭ জন। এদিন ৫০৯ জন সুস্থ হয়ে রাজ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৬৫.৭৮ শতাংশ করোনা আক্রান্ত। অন্যদিকে এই মুহুর্তে রাজ্যে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৬ হাজার ৮৩ জন।

অর্থাৎ গতকালের থেকে চিকিৎসাধীন আক্রান্ত বেড়েছে ১২৪! পাশাপাশি রাজ্য সরকারের তথ্য অনুযায়ী গত ২৪ ঘন্টায় টেস্ট হয়েছে ১০ হাজার ৪০৫ টি, যা এখন পর্যন্ত রাজ্যে সর্বমোট টেস্টের সংখ্যা ৫ লক্ষ ৮ হাজার ১। প্রতি ১০ লক্ষ মানুষ পিছু রাজ্যে পরীক্ষা হয়েছে ৫ হাজার ৬৪৪ জনের।