নজরবন্দি ব্যুরোঃ ৩ অক্টোবর লাখিমপুর খেরিতে কৃষকদের মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে সরগরম হচ্ছে জাতীয় রাজনীতি। অন্যতম অভিযুক্ত আশীষ মিশ্র। অভিযোগ, তাঁরি গাড়ি চাপা দেয় কৃষকদের। তাঁর বাবা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অজয় মিশ্র। ছেলের কার্যকলাপের জন্য কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর অপসারণের দাবীতে বিরোধীদের হই হট্টগোলের জেরে দুপুর দু’টো অবধি স্থগিত রাখা হয় সংসদের অধিবেশন।
আরও পড়ুনঃ Bank Strike: বেসরকারিকরণের বিরুদ্ধে ব্যাঙ্ক কর্মচারীদের ধর্মঘট, চরম ভোগান্তি আম জনতার


৩ অক্টোবর উত্তরপ্রদেশের লাখিমপুর খেরিতে চার কৃষকদের চাপা দিয়ে মেরে ফেলার ঘটনায় গ্রেফতাঁর হয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অজয় মিশ্রর ছেলে আশীষ মিশ্র সহ ১৩ জন। মামলা সুপ্রিম কোর্টে গড়ালে তদন্তকারী অফিসারদের বদলের নির্দেশ দেয় আদালত। আদালতের তরফে জানানো হয়, ঘটনার তদন্ত করুক উচ্চপদস্থ র্যাঙ্কের আধিকারিকরা। ঘটনার জন্য সাক্ষ্য যারা রয়েছেন তাঁদেরকে নিরাপত্তা দেওয়ার কথাও উল্লেখ করে আদালত। এদিন রাহুল গান্ধী বলেন, আমরা সংসদে জানাই যে ঘটনায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অজয় মিশ্রের যোগের অভিযোগ রয়েছে। তাই আমরা আলোচনা চাই। কিন্তু আলোচনা করতে দেওয়া হল না।
We should be allowed to speak about the murder that was committed in Lakhimpur Kheri, where there was an involvement of the Minister & about which it has been said that it was a conspiracy. The Minister who killed farmers should resign and be punished: Rahul Gandhi in Lok Sabha pic.twitter.com/Q4nq5aEZRH
— ANI (@ANI) December 16, 2021
সম্প্রতি একটি ফরেন্সিক রিপোর্টে জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অজয় মিশ্রর ছেলে আশীষ মিশ্রর বন্দুক থেকে গুলি ছোঁড়া হয়েছে। গুলি ছোঁড়া হয়েছিল আশীষের বন্ধু অঙ্কিত দাসের বন্দুক থেকেও। খুনের পাশাপাশি গুলি চালানোর অভিযোগ রয়েছে দুই জনের বিরুদ্ধে। বিশেষ তদন্তকারী দলের অফিসার বিদ্যারাম দীবাকর ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে দেওয়া আবেদনে জানিয়েছেন, পুরো ঘটনাটি পূর্ব পরিকল্পিত। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দায়ের করা এফআইআরে যে ধারা লাগু করা হয়েছে তা সরিয়ে আরও কঠিন পদক্ষেপ নেওয়া হোক।
তিনি জানিয়েছেন, ভারতীয় দণ্ডবিধির ২৭৯, ৩৩৮ এবং ৩০৪ এ ধারা পরিবর্তে ৩০৭, ৩২৬, ৩৪,২৭৯, ৩৩৮ এবং ৩০৪ এ ধারায় মামলা দায়ের করা হোক। অভিযুক্তদের সকলকেই লাখিমপুর খেরি আদালতে রাখা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সংসদে সরব হন কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী। তিনি বলেন, লাখিমপুর খেরিতে যে হত্যা হয়েছে তা নিয়ে সংসদে বলতে দেওয়া হোক। যেখানে একজন মন্ত্রী যুক্ত রয়েছেন। যে মন্ত্রী কৃষকদের হত্যার জন্য অপরাধী তাঁর ইস্তফা দেওয়া প্রয়োজন।
কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর অপসারণের দাবি, আলোচনা চাইল বিরোধীরা
শুধুমাত্র সংসদের ভিতরে নয়। একই ইস্যুতে গান্ধী মুর্তির পাদদেশে ধর্নায় বসে থাকা ২ বিরোধী সাংসদরা একই ইস্যুতে সরব হন। লাখিম্পুর খেরিতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের শাস্তির দাবী করেন তিনি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশীর দাবী, এই মুহুর্তে বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন। তাই সংসদে এখনই আলোচনা চাইছে না সরকার। ২০২৪ এর নির্বাচন অনেক বাকি। আমরাও সেখানে খেলা দেখাতে চাই।









