নজরবন্দি ব্যুরোঃ চলতি অধিবেশনেই সংসদে ব্যাঙ্ক আইন সংশোধনী বিল আনতে চলেছে কেন্দ্র সরকার। কেন্দ্র সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে গিয়ে দেশজুড়ে দুই দিনের ধর্মঘটের ডাক দিলেন ব্যাঙ্ক কর্মচারীরা। বৃহস্পতিবার এবং শুক্রবার বন্ধ থাকবে ব্যাঙ্ক পরিষেবা। বছরের ঠিক শেষ মুহুর্তে বেসরকারিকরণের বিরুদ্ধে ব্যাঙ্ক কর্মচারীদের ধর্মঘট, চরম ভোগান্তি আম জনতার।
আরও পড়ুনঃ Bank Privatization: মুছে গিয়েছে বিপুল অঙ্কের এনপিএ, সিএজির হস্তক্ষেপ চান কর্মীরা


যদিও ব্যাঙ্ক বেসরকারিকরণের বিরুদ্ধে আগেই ধর্মঘটের ডাক দিয়েছিল ব্যাঙ্ক কর্মচারী সংগঠনগুলি। ইউনাইটেড ফোরাম অব ব্যাঙ্ক ইউনিয়নের ডাকা ধর্মঘটে শামিল হয়েছে অল ইন্ডিয়া ব্যাঙ্ক এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশন, অল ইন্ডিয়া ব্যাঙ্ক অফিসার্স কনফেডারেশন, ন্যাশনাল কনফেডারেশন অব ব্যাঙ্ক এমপ্লয়িজ, অল ইন্ডিয়া ব্যাঙ্ক অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন এবং ব্যাঙ্ক এমপ্লয়িজ কনফেডারেশন অব ইন্ডিয়া, ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক এমপ্লয়িজ ফেডারেশন, ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক অফিসার্স কংগ্রেস, ন্যাশনাল অর্গানাইজেশন অব ব্যাঙ্ক ওয়ার্কার্স এবং ন্যাশনাল অর্গানাইজেশন অব ব্যাঙ্ক অফিসার্স সংগঠনগুলি।
কী কারণে এই ধর্মঘট? চলতি বছরে বাজেট পেশের সময় কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন জানিয়েছিলেন চলতি বছরেই দুটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যঙ্কগুলিকে বেসরকারিকরণ করতে চলেছে সরকার। ব্যাঙ্ক সংগঠনগুলির তরফে জানানো হয়েছে, চলতি অধিবেশনে ব্যাঙ্ক আইন সংশোধনী বিল আনতে চলেছে কেন্দ্র সরকার। সেই বিলে ১৯৭০ থেকে ১৯৮০ ব্যাঙ্ক কোম্পানি আইন এবং ১৯৪৯ সালের ব্যাঙ্কিং রেগুলেশন আইনে পরিবর্তন আনতে চলেছে কেন্দ্র সরকার৷ যার ফলে ব্যাঙ্ক বেসরকারিকরণ আরও মসৃণ হবে।
বেসরকারিকরণের বিরুদ্ধে ব্যাঙ্ক কর্মচারীদের ধর্মঘট, ব্যহত পরিষেবা

সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দুই দিনের ধর্মঘট ডেকেছে ব্যাঙ্ক কর্মী সংগঠনগুলি। যার ফলে ব্যাহত হতে পারে এটিএম পরিষেবা। তাই সকলকে কাজে উপস্থিত থাকার আর্জি জানিয়েছেন স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া, কানারা ব্যাঙ্ক সহ অন্যান্য ব্যাঙ্কগুলি। কিন্তু কর্মচারী সংগঠনগুলির দাবী, তাঁদের এই বন্ধ কর্মসুচীর কথা অনেক আগে থেকেই প্রচার করেছিলেন তাঁরা। এটা কর্মীদের ভবিষ্যতের কথা ভেবেই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাঁরা। তবে জরুরীকালীন সমস্ত পরিষেবা চালু রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।










