নজরবন্দি ব্যুরোঃ দেশের সমস্ত অবিজেপি দলের নেতাদের চিঠি দিয়ে একজোট হওয়ার বার্তা দিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্য কংগ্রেস নেতাদের এবিষয়ে দুরত্ব রেখে চললেও মমতার প্রতি আস্থা রাখছেন দিল্লির নেতারা। এমনকি মমতাই যে বিরোধী দলের অন্যতম মুখ, এটা খোলসা করে না জানালেও আকার ইঙ্গিতে সেটাই বোঝাতে চাইছে কংগ্রেস নেতৃত্ব। তবে অবিজেপি জোট নিয়ে কিছুটা সক্রিয় শরদ পাওয়ার। শোনা যাচ্ছে, মুম্বইয়ে বিরোধী শিবিরের বৈঠক এর সম্ভাবনা।
আরও পড়ুনঃ বিধানসভা কক্ষের ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ, অমিত মালব্যের বিরুদ্ধে স্বাধিকারভঙ্গের নোটিশ


এই মুহুর্তে রাজনৈতিক দুরদর্শিতা সবচেয়ে বেশী রয়েছে একমাত্র এনসিপি প্রধানেরই। ভিন্ন মেরুতে অবস্থানকারী শিবসেনা এবং কংগ্রেসকে একজোট করে অসাধ্য সাধনের কাজ করেছেন তিনি। তাই অবিজেপি সমস্ত দলগুলিকে একই ছাতার তলায় তিনিই আনতে পারেন বলে মনে করছেন অনেকেই। খুব শীঘ্রই মুম্বইয়ে বিরোধী শিবিরের বৈঠক হতে চলেছ, তারও আন্দাজ মিলছে। এবিষয়ে তৃণমূল এবং শিবসেনার সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি কংগ্রেসের বিক্ষুব্ধদের সঙ্গে কথা বলছেন তিনি।

তাঁর কথায়, যারা ক্ষমতায় তাঁরা মনে করেন, নিজেদের আদর্শের সঙ্গে মিল না থাকলে সেই-ই শত্রু। সিবিআই এবং ইডি-র তল্লাশি এখন দৈনন্দিন ঘটনা। প্রতিহিংসার রাজনীতি চলছে। এটা বিরোধীদের হেনস্থা করা ছাড়া আর কিছু নয়। প্রতিদিন এনসিপি, কংগ্রেস এবং শিবসেনার নেতাদের বিরুদ্ধে কিছু না কিছু ঘটেই চলেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মাথায় একটাই চিন্তা। মানুষের মতামত যাই হোক না কেন, তিনি চান কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারিকা পর্যন্ত বিজেপির শাসন চলুক।
অর্থাৎ আকারে ইঙ্গিতে তিনি বোঝাতে চাইলেন বিরোধীদের এবার একজোট হওয়ার সময় এসে গেছে। শোনা যাচ্ছে, বিরোধী জোট নিয়ে শরদ পাওয়ারের সঙ্গে কথা বলতে যান কংগ্রেস নেতা গুলাম নবী আজাদ। কংগ্রেসের উচিত সমমনস্ক দলগুলির সঙ্গে এবিষয়ে আলোচনা করা এই বার্তাও দেন তিনি।


মুম্বইয়ে বিরোধী শিবিরের বৈঠক! সক্রিয় ভূমিকায় শরদ পাওয়ার

তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চিঠির পরেই কংগ্রেসের তরফে নেতিবাচক বার্তাই মিলেছে। ভিন্ন মেরুতে অবস্থান করে মন্তব্য করতে দেখা যায় অধীর রঞ্জন চৌধুরী, প্রদীপ ভট্টাচার্যদের। এরই মধ্যে মমতাকে বিরোধী জোটের স্তম্ভ বলেই মেনে নিয়েছেন অভিষেক মনু সিংভি। সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গের ঘটনায় সংসদে সরব হতে দেখা গেছে কংগ্রেস সাংসদদের। পাশে থেকে সমর্থন জানিয়েছেন কংগ্রেস সভানেত্রী। এখন ভিন্ন মেরুতে থাকা দুই পক্ষকে একজোট করার কাজ করতে হবে আশির উর্ধ্বে বর্ষীয়ান নেতাকেই।







