নজরবন্দি ব্যুরোঃ ওটসে রয়েছে বিশেষ এক ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান যা শরীরের ভালো কোলেস্টেরল অর্থাৎ এলডিএলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। যার ফলে হৃদরোগের ঝুঁকিও কমে। নিয়মিত ওটস খেলে অতিরিক্ত মানসিক চাপ বা দুশ্চিন্তার কারণে হাইপার টেনশনের ঝুঁকি কমে যায়। ওটসের বেটা-গ্লুকোন শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বা ইমিউনিটি সিস্টেমকে বৃদ্ধি করে।
আরও পড়ুনঃ আর্থিক তছরূপ রুখতে আরও ক্ষমতা বৃদ্ধি, সুপ্রিম কোর্টে বড় জয় ED-র।


দিনের প্রথম এবং গুরুত্বপূর্ণ খাবার হল ব্রেকফাস্ট (Breakfast)। আর তাই ব্রেকফাস্ট যেমন কখনও বাদ দেওয়া উচিত নয় তেমনই ব্রেকফাস্টে যাতে স্বাস্থ্যকর খাবার থাকে সেদিকেও কিন্তু নজর রাখতে হবে। ওজন কমানোর সময়ে অনেককেই বলা হয় ওট্স খেতে। তাতে পুষ্টি পায় শরীর। আবার অতিরিক্ত ক্যালোরিও যায় না। তাই ঝরঝরে লাগে। আর ওজন কমানোও সহজ হয়। এ সব কথা অজানা নয়। কিন্তু মন ঠিক রাখার জন্যও যে ওট্স খেতে পারেন, তা কি জানা ছিল?

এর পর ওট্স খাওয়ার পরে খেয়াল করে দেখবেন, শরীরের সঙ্গে মনও ঝরঝরে লাগে। অন্তত এমনই বক্তব্য গবেষকেদের। সাধারণত যে কোনও খাবারেরই প্রভাব পড়ে মনের উপরে। তাই তো মন ভাল করতে পছন্দের খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে।


যে কোনও খাবার কিন্তু প্রভাব ফেলে আমাদের মনেও। তাই এই বিষয়টিতে যথেষ্ট গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। পুষ্টিকর প্রাতঃরাশ আমাদের শরীরে যাবতীয় বিপাক ক্রিয়ায় সাহায্য করে। তেমনই শরীরের অতিরিক্ত ক্যালোরি পোড়াতেও কিন্তু ভূমিকা রয়েছে এই ব্রেকফাস্টের। দিনের শুরু যে ভাবে হবে বাকি দিনও কিন্তু তেমনই কাটবে।
খাবারে ট্রিপ্টোফান নামে এক অ্যামাইনো অ্যাসিড থাকে, তা শরীরে এক ধরনের হরমোন নিঃসরণ করতে সাহায্য করে। তার প্রভাবে মন ভাল হয়। সেই হরমোনের নাম সেরোটোনিন।

মনের ভাব নিয়ন্ত্রণ করে এই হরমোন। উদ্বেগ, চিন্তা, আনন্দ, দুঃখের মতো অনেক অনুভূতিই এই হরমোনের হাতে। অবসাদের রোগীদের শরীরে সেরোটোনিনের মাত্রা কম থাকতে দেখা যায়। তাই তাঁদের বাছাই করা কিছু খাবার খেতে বলা হয়ে থাকে।
মন ভাল রাখার জন্য এমন খাবার খাওয়া দরকার যাতে ট্রিপ্টোফানের মাত্রা বেশি রয়েছে। তেমনই একটি খাদ্য হল ওট্স। এরই পাশাপাশি ওট্সের ফাইবার ডায়াবিটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে। সার্বিক ভাবে শরীর সুস্থ রাখতেও সাহায্য করে। শরীর সুস্থ থাকলেও মন ভাল থাকবে। তাতে কাজ করার ইচ্ছা বাড়বে। কাজে মন দেওয়াও সহজ হবে।
শুধু ওজন নয় মন খারাপেও সমান কার্যকরী ওট্স, কখন, কতটা পরিমাণ আপনার জন্যে উপকার জানুন

গবেষকেরা দেখেছেন, শুধু উদ্বেগ বা অবসাদ নিয়ন্ত্রণেই নয়, অন্য ভাবেও সাহায্য করে ওট্স। যেমন, লেখাপড়ায় মন বসানোর ক্ষেত্রেও এই খাদ্য বেশ কাজের বলে দাবি করা হয়েছে বেশ কিছু গবেষণায়।







