ফের শুটআউট, সরগরম রাজ্য-রাজনীতি

ফের শুটআউট, সরগরম রাজ্য-রাজনীতি

নজরবন্দ ব্যুরো: শালিমারে তৃণমূল কর্মীকে শুটআউটের ঘটনা এখনও তাজা। এরইমধ্যে আবারও সেই ঘটনার পুণরাবৃত্তি ঘটল মালদহে। এবার কাঠগড়ায় অবশ্য তৃণমূল। রবিবার রাতে বিজেপির মণ্ডল সভাপতিকে প্রকাশ্যে গুলির ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে মালদহের পুখুরিয়ায় এলাকায়। গুরুতর আহত অবস্থায় ওই ব্যক্তিকে হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে। একই ঘটনা ঘটেছে আসানসোলেও। সেখানে এক বিজেপি নেতাকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর অভিযোগ উঠেছে।

আরও পড়ুন: ‘২৩ জানুয়ারি বাংলায় আসছি’, অধীরকে ফোনে জানালেন নরেন্দ্র মোদি!

সূত্রের খবর, গুলিবিদ্ধ ওই বিজেপির মণ্ডল সভাপতির নাম সুবেক আলি। শনিবার রাতে সামসিতে বৈঠক সেরে গাড়িতে কুমারগঞ্জে বাড়ির দিকে যাচ্ছিলেন তিনি। সেই সময় পুখুরিয়া এলাকায় তাঁর পথ আটকায় দুষ্কৃতীরা। অভিযোগ, সুবেককে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি করা হয়। তাঁর বাঁ হাতে লাগে গুলি। তড়িঘড়ি তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় মালদহ মেডিক্যালে। বর্তমানে সেখানেই ভরতি তিনি। এদিন রাতে আসানসোলের বানপুর রোড রবীন্দ্রনগরে বিজেপি নেতা কৃষ্ণেন্দু মুখোপাধ্যায়কে লক্ষ্য করেও গুলি চালানো হয়। বিজেপির অভিযোগ, এই ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে শাসকদল।

তবে তৃণমূলের তরফে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। ২১এর নির্বাচনকে পাখির চোখ করে রাজ্য-রাজনীতিতে এহেন ঘটনা রোজকার নামচা। শনিবার রাত সাড়ে ১০ টা নাগাদ অশোকনগরের আশ্রাফাবাদ এলাকায় বিজেপির দুই বুথ বুথ সভাপতি প্রদীপ সরকার ও রমেন বিশ্বাসের বাড়িতে চড়াও হয় প্রায় পঁচিশজনের একটি দল। বাড়িতে ভাঙচুরের পাশাপাশি অভিযুক্তরা পরিবারের সদস্যদেরও মারধর করে বলে অভিযোগ। এরপর বিজেপির একটি কার্যালয়েও ব্যাপক ভাঙচুর চালায় তারা। ছিঁড়ে ফেলা হয় সেখানে থাকা রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ ও প্রধানমন্ত্রীর কাট আউট। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রীতিমতো উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। আহত হন মোট ৬ জন।

ফের শুটআউট, হাবড়া স্টেট জেনারেল হাসপাতালে ভরতি রয়েছেন তাঁরা। বিজেপির অভিযোগ, শাসকদল বুঝতে পারছে তাঁর পায়ের নিচের মাটি সরছে, সেই কারণেই লাগাতার হামলা চলছে বিজেপির নেতা-কর্মীদের উপর। যদিও এই অভিযোগ ভিত্তিহীন বলেই দাবি স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের। তাঁদের পালটা দাবি, আদি ও নব্য বিজেপি কর্মীদের দ্বন্দ্বের জেরেই এই ঘটনা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x