নজরবন্দি ব্যুরোঃ স্কুল সার্ভিস কমিশনের গ্রুপ ডি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিবিআই তদন্ত হবে না। নিয়োগে কোনও বেনিয়ম হয়েছে কী না তার তদন্ত করবে বিশেষ তদন্তকারী বিভাগ (SIT)। অবসর প্রাপ্ত বিচারপতির নেতৃত্বে হবে তদন্ত। সোমবার গ্রুপ ডি মামলায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ খারিজ করে কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ এই নির্দেশ দেয়। আর নির্দেশ দেওয়ার পরেই তৎপরতার সাথে SIT গঠন হল স্কুল SSC নিয়োগ দুর্নীতি তদন্তে।
আরও পড়ুনঃ কেউ সন্তান মানুষ করছে, কেউ অন্তঃসত্ত্বা! পড়ুয়া খুঁজতে দুয়ারে হোঁচট শিক্ষকদের।


ডিভিশন বেঞ্চ আজ জানিয়েছে, অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি রঞ্জিতকুমার বাগের নেতৃত্বে বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করা হবে। সেই দলে(SIT) থাকবেন এসএসসির প্রতিনিধি আশুতোষ ঘোষ, মধ্যশিক্ষা পর্ষদের প্রতিনিধি পারমিতা রায় এবং হাই কোর্টের আইনজীবী অরুনাভ বন্দ্যোপাধ্যায়। আর এই বিশেষ তদন্তকারী দলের যাবতীয় ব্যায়ভার বহন করবে রাজ্য সরকার।
আগামী দু’মাসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট জমা করতে হবে তদন্তকারী দলকে। রিপোর্ট পাওয়ার পরই চূড়ান্ত রায় দেবে হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। ২০১৬ সালে গ্রুপ ডি কর্মী হিসাবে প্রায় ১৩ হাজার নিয়োগের সুপারিশ করে রাজ্য। সেই নিয়োগে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। অভিযোগের বহর দেখে গত ২৩ নভেম্বর তদন্তভার সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেয় কলকাতা হাই কোর্ট। এদিনে সেই সিদ্ধান্ত খারিজ করল ডিভিশন বেঞ্চ।
মামলাকারীদের আইনজীবী সুদীপ্ত দাশগুপ্ত ও বিক্রম বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, “বিচারবিভাগীয় অনুসন্ধান শেষে পরিষ্কার হয়ে যাবে গ্রুপ ডি নিয়োগে কোনও ফৌজদারি অপরাধ সংঘটিত হয়েছিল কিনা। আমরা দুই মাস অপেক্ষা করব।” রাজ্যের আইনজীবী ভাস্কর প্রসাদ বৈশ্য জানান, “সিবিআই তদন্তের নির্দেশ খারিজই শুধু নয়, বেতন বন্ধের নিদের্শেও লাগাম টেনে দিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ।”


SIT গঠন হল স্কুল SSC নিয়োগ দুর্নীতি তদন্তে, সমস্ত ব্যয়ভার বহন করবে রাজ্য সরকার

আদালত সূত্রে খবর, স্কুলের ১৩ হাজার শূন্যপদে চতুর্থ শ্রেণির কর্মী নিয়োগের জন্যে ২০১৬ সালে স্কুল সার্ভিস কমিশন কে সুপারিশ করেছিল রাজ্য। সেই মতো পরীক্ষা ও ইন্টারভিউ নেয় এসএসসি। পরে তাঁরা প্যানেল প্রকাশ করে। ২০১৯ সালে ওই প্যানেলের মেয়াদ শেষ হয়। কিন্তু অভিযোগ ওঠে যে, প্রকাশিত প্যানেলের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরেও নিয়মবহির্ভূত ভাবে প্রচুর নিয়োগ করেছে কমিশন।







