নজরবন্দি ব্যুরোঃ বিজেপি-র সঙ্গে জোট ভেঙে ইস্তফা দিয়েছেন মঙ্গলবার। আর বুধবারই আরজেডি-র সমর্থনে বিহারে নতুন সরকার গড়ছেন নীতীশ কুমার। বুধবার দুপুর ২টোয় মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন তিনি। তাঁর উপ মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন লালুপ্রসাদ যাদবের ছেলে তথা এই মুহূর্তে রাষ্ট্রীয় জনতা দলের দায়িত্ব সামলানো তেজস্বী যাদব। নীতীশের সংযুক্ত জনতা দলের সঙ্গে ‘মহাজোট’-এর সঙ্গী হচ্ছে কংগ্রেস-সহ অন্য আঞ্চলিক দলগুলিও।
আরও পড়ুনঃ এবার রাখি উৎসব পালন করবে কোলকাতা মেট্রো! খাওয়ানো হবে লাড্ডুও



মঙ্গলবার সকালে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে আচমকাই ইস্তফা দেন নীতীশ কুমার। তার পর সোজা পটনায় রাবড়ি দেবীর বাড়িতে পৌঁছন। সেখান থেকে বেরিয়েই আরজেডি-র সঙ্গে পুরনো জোট আবার নতুন করে তৈরির ঘোষণা করেন। এর পর বিকেলে তেজস্বীকে সঙ্গে নিয়েই রাজভবনে গিয়ে সরকার গঠনের প্রস্তাব জমা দেন। সেখান থেকে বেরিয়ে নীতীশ বলেন, ‘‘সাতটি দলের মহাজোট গড়ে তুলছি। একজন নির্দল বিধায়ক কাছাকাছি থেকে কাজ করবেন।’’

২৪৩ আসনের বিহার বিধানসভায় ম্যাজিক সংখ্যাম ২৪৩। নীতীশ কুমার জানিয়েছেন, তাঁর সঙ্গে ১৬৪ জন বিধায়কের সমর্থন রয়েছে। নীতীশের সংযুক্ত জনতা দলের বিধায়ক সংখ্যা ৪৫। আর রাষ্ট্রীয় জনতা দলের হাতে রয়েছে ৭৯ জন বিধায়ক। এদিকে ২৪৩ আসনের বিহার বিধানসভায় ম্যাজিক সংখ্যা ১২২। সে ক্ষেত্রে দুই দল মিলে বিধায়ক সংখ্যা দাড়াচ্ছে ১২২। যা ছুঁয়ে যাচ্ছে ম্যাজিক সংখ্যা।


বামেদের ১৬ টি আসন নিয়ে ১৬৪ বিধায়কের সমর্থন, বুধবারই শপথ নেবেন ‘চাচা-ভাতিজা’।

২০২০ সালের বিহার বিধানসভা নির্বাচনে শতাংশের হিসেবে সবথেকে বেশি ভোট পায় একদা বিরোধী আরজেডি। ২৩.০৮ শতাংশ ভোট পেয়ে তাদের আসন সংখ্যা দাঁড়ায় ৭৯। এরপরেই ছিল বিজেপি। ৭৭ টি আসন সহ তাদের ভোট ছিল ১৯.৪৬ শতাংশ। পাশাপাশি জেডিইউ পায় ৪৫ আসন এবং কংগ্রেস পায় ১৯ আসন।
কিন্তু লক্ষ্যণীয় বিষয় হল এই নির্বাচনে আরজেডি-র জোটসঙ্গী বামপন্থীরা পায় ১৬ টি আসন। যার মধ্যে সিপিআই পায় ২টি, সিপিআইএম পায় ২টি এবং সিপিআইএম-এল পায় ১২টি। বর্তমানে যে মহাজোট সরকার তৈরি হতে চলেছে সেখানে অন্যতম শক্ত খুঁটি হতে চলেছে বামপন্থীরা।







