নজরবন্দি ব্যুরো: গত রবিবার ভূমিকম্প দেখা দিয়েছিল নেপালে, কাঠমুণ্ডু থেকে ১৪৭ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে ধিতুঙ্গে, সকাল ৮ টা বেজে ১৩ মিনিটে। তারপর আবারও আজ শনিবার ভোর ৫ টা বেজে ২৬ মিনিটে ভূমিকম্পটি অনুভুত হয় নেপালের বাগমতি প্রদেশের নুওয়াকোট জেলার বেলকোটগাদির আশেপাশে ভূমিকম্পটি অনুভূত হয়। ভূমিকম্পের তীব্রতা ছিল ৫.৩ ম্যাগনিটিউড।
আরও পড়ুনঃএসি নেই, ‘এখানে কী করে থাকব’, প্রশ্ন করা পার্থর রাত কেমন কাটল জেলে?


ভোরবেলা এই তীব্র ভুমিকম্প হওয়া ঘুম ভাঙে বহু মানুষের। মানুষেরা ভয় বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসে। নেপালের এই ভুমিকম্পের খবরটি প্রথম জানায় নেপালের জাতীয় ভুমিকম্প পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্র বা এনইএমআরসির পক্ষ থেকে।

এপ্রসঙ্গে বলা যায়,পৃথিবী মূলত চারটি স্তর নিয়ে গঠিত। ভিতরের কোর, বাইরের কোর, ম্যান্টেল এবং ক্রাস্ট। ভূত্বক এবং উপরের ম্যান্টেল কোরকে লিথোস্ফিয়ার বলা হয়। এই ৫০ কিমি পুরু স্তরটি টেকটোনিক প্লেট নামে কয়েকটি বিভাগে বিভক্ত। এই টেকটোনিক প্লেটগুলি তাদের জায়গায় কম্পিত হতে থাকে এবং যখন এই প্লেটটি খুব বেশি কম্পন করে তখন ভূমিকম্প অনুভূত হয়।


এই প্লেটগুলির নড়াচড়ার কারণে পৃথিবী কাঁপতে শুরু করার ঠিক নীচের জায়গাটিই ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল। এই স্থান বা এর আশপাশের এলাকায় ভূমিকম্পের প্রভাব বেশি। যদি রিখটার স্কেলে ৭ বা তার বেশি মাত্রার ভূমিকম্প হয়, তবে কম্পনটি চারপাশের ৪০ কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে শক্তিশালী হয়।
সাতসকালে কেঁপে উঠল নেপাল,মানুষের মধ্যে আতঙ্ক

তবে আজকের এই ভূমিকম্পের ঘটনায় কোন হতাহতের খবর এখনো পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। ভূমিকম্পের উত্স স্থল ঠিক কোথায়? তা নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। এই নিয়ে নেপালে একাধিকবার ভূমিকম্পের ঘটনা ঘটতে দেখা গেছে।







