নজরবন্দি ব্যুরো: পঞ্চায়েত নির্বাচনে ‘অশান্ত’ হয়ে উঠেছিল ভাঙড়। ভোটপর্ব মিটলেও পরিস্থিতি উত্তপ্ত। এই অবস্থায় নিজের নির্বাচনী কেন্দ্রে ঢুকতে বারংবার বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে ভাঙড়ের আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকিকে। এবার পুলিশের বিরুদ্ধে অতিসক্রিয়তার অভিযোগ এনে আদালতের দ্বারস্থ হলেন তিনি। মামলা দায়েরের অনুমতি দিয়েছেন বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত। আগামী সপ্তাহে এই মামলার শুনানি হতে পারে।
আরও পড়ুন: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সাহায্য করেছে রাজ্য, নেই রাজনৈতিক চাপ, মন্তব্য বাগ কমিটির প্রধানের
নওশাদের আইনজীবী আদালতে জানিয়েছেন, ১৪৪ ধারা না থাকা সত্ত্বেও বিধায়ককে ভাঙড়ে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। কেন পুলিশ তাঁকে আটকাচ্ছে? পুলিশের বিরুদ্ধে অতি সক্রিয়তার অভিযোগ। গত শুক্রবার ভাঙড়ে যাওয়ার পথে রাজারহাটে আটকে দেওয়া হয় নওশাদ সিদ্দিকিকে। ভোট হিংসায় নিহত ও আহতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করার কথা ছিল তাঁর। পুলিশের তরফে জানানো হয়, বিধায়কের ‘অশান্ত’ ভাঙড়ে যাওয়ার অনুমতি নেই। তবে কয়েক ঘণ্টা গাড়িতেই বসে থাকেন তিনি। পুলিশ জানায়, ভাঙড়ে ১৪৪ ধারা জারি থাকায় সকলকে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। তবে কাদের অনুমতি রয়েছে তার একটি তালিকা রয়েছে যেখানে নওশাদের নাম নেই। আইএসএফ বিধায়কের অভিযোগ, তাঁকে পরিকল্পনা করে অনৈতিকভাবে আটকানো হচ্ছে।

শুক্রবারের পর রবিবার। ফের একই দৃশ্য দেখা যায়। ভাঙড়ে যাওয়ার মুখেই হাতিশালায় পুলিশি বাধার সম্মুখীন হন বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি। ভাঙড়ে ১৪৪ ধারা জারি থাকায় বিধায়ককে আটকানো হয়েছে বলে দাবি পুলিশের। পাল্টা নওশাদের বক্তব্য, তিনি একজনকে সঙ্গে নিয়ে এসে ১৪৪ ধারাকে লঙ্খন করেননি, পুলিশ ইচ্ছাকৃতভাবে তাঁকে আটকেছে। আদালতে সব বুঝে নেব বলে হুঙ্কারও দিয়েছিলেন আইএসএফ বিধায়ক।

এই ঘটনায় নওশাদ বলেন, ‘দ্বিচারিতা করছে পুলিশ। আমি হাতিশালায় রয়েছি। এখানে ১৪৪ ধারা লাঘু নেই। হাজার হাজার মানুষ যাচ্ছে। তৃণমূলের নেতারা অবাধে বিচরণ করছে। আমি এখানের জনপ্রতিনিধি। মানুষের পরিষেবা দিতে আমাকে যেতেই হবে। ১৪৪ ধারার মানে চারজনের বেশি জমায়েত করা যাবে না। আমি তো একজনকে সঙ্গে নিয়ে এসেছি। সুকৌশলে আমাকে আটকানো হচ্ছে’। গতকালও দফায় দফায় পুলিশের সঙ্গে বচসায় লিপ্ত হতে দেখা যায় ভাঙড়ের বিধায়ককে।
নিজের নির্বাচনী কেন্দ্রে যেতেই বারংবার বাধা, আদালতের দ্বারস্থ Nawshad Siddiqui




