মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ আরও বিপজ্জনক মোড়ে। ইরানের গুরুত্বপূর্ণ পরমাণু কেন্দ্র নাতানজে ফের হামলার দাবি ঘিরে বাড়ছে উদ্বেগ। তবে আপাতত স্বস্তির খবর—তেজস্ক্রিয় বিকিরণ ছড়ানোর মতো বড় বিপর্যয় ঘটেনি বলেই জানিয়েছে ইরানি সংবাদমাধ্যম। তবুও বারবার হামলায় ভবিষ্যতের ঝুঁকি নিয়ে শঙ্কা বাড়ছে আন্তর্জাতিক মহলে।
কোথায় হামলা, কী জানা যাচ্ছে?
ইরানের সংবাদসংস্থা ‘মিজান’-এর দাবি, শনিবার নতুন করে হামলা হয়েছে Natanz Nuclear Facility-এ। এই কেন্দ্রটি তেহরান থেকে প্রায় ২২০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত এবং ইরানের অন্যতম প্রধান ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্র।


যুদ্ধের শুরুতেই এই কেন্দ্রকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছিল United States ও Israel-এর যৌথ বাহিনীর তরফে। তখনও বড় কোনও তেজস্ক্রিয় বিপর্যয় হয়নি বলে জানিয়েছিল আন্তর্জাতিক সংস্থা International Atomic Energy Agency (IAEA)।
বিকিরণ ছড়িয়েছে কি?
সর্বশেষ রিপোর্ট অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত বিপজ্জনক তেজস্ক্রিয় বিকিরণ ছড়ানোর কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, বারবার একই পরমাণু কেন্দ্রে হামলা হলে ভবিষ্যতে ঝুঁকি বহুগুণ বাড়তে পারে।
বিশেষ করে যদি ভূগর্ভস্থ ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ পরিকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তাহলে সীমিত বা গুরুতর বিকিরণ ছড়ানোর আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।


ট্রাম্পের অবস্থান আরও কঠোর
এই ঘটনার মাঝেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা কার্যত নাকচ করে দিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, “আলোচনা হতে পারে, কিন্তু যুদ্ধবিরতি নয়।”
ট্রাম্প আরও দাবি করেছেন, মার্কিন হামলায় ইরানের বায়ুসেনা ও নৌসেনা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং যুদ্ধ কার্যত তাদের পক্ষেই এগোচ্ছে।
বাড়ছে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ
একই পরমাণু কেন্দ্রে বারবার হামলার ফলে শুধু ইরান নয়, গোটা মধ্যপ্রাচ্যেই সম্ভাব্য বিপর্যয়ের আশঙ্কা বাড়ছে।
কূটনৈতিক সমাধানের পথ যতই সংকীর্ণ হচ্ছে, ততই বাড়ছে সংঘাতের ঝুঁকি—আর তার সঙ্গে জুড়ছে পারমাণবিক নিরাপত্তা নিয়ে নতুন আতঙ্ক।







