নজরবন্দি ব্যুরোঃ শুভেন্দুর হুঁশিয়ারি উড়িয়ে বিধানসভায় থাকবেন মুকুল রায়! তাঁর প্রত্যাবর্তনে কানাঘুষো চলছে তৃণমূলের অন্দরে, বাইরে। সূত্র বলছে এখনই বিধায়ক পদ ছাড়ছেন না মুকুল। তাঁর রাজ্যসভায় যাওয়া নিয়ে পরে সিদ্ধান্ত নেবেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আপাতত ২ জুলাই বিধানসভা অধিবেশনে যোগ দেবেন তিনি। উল্লেখ্য, একুশের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির টিকিটে কৃষ্ণনগর উত্তর কেন্দ্র থেকে জিতে বিধায়ক হয়েছেন মুকুল রায়। কিন্তু তাঁর বিরুদ্ধে দলত্যাগ বিরোধী আইন প্রণয়নের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিরোধী দলনেতা।
আরও পড়ুনঃ রাজ্যের নয়া বিধিনিষেধ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় মমতাকে ‘তুঘলক’ বলে কটাক্ষ তথাগতর।
শুভেন্দু অধিকারী কার্যত পদত্যাগের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন মুকুল রায় কে। ২৪ ঘন্টা। তারমধ্যে বিধায়ক পদ না ছাড়লে কঠোর ব্যাবস্থা নেবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। বলা হয়েছে, মুকুল রায় মঙ্গলবারের মধ্যে বিধায়ক পদ না ছাড়লে বিধানসভার অধ্যক্ষের কাছে তাঁর বিধায়ক পদ খারিজের আবেদন জানাবে বিজেপি। মুকুলের বিধায়ক পদ খারিজ করার জন্য প্রয়োজনে আদালতে যাওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন বিরোধী দলনেতা।
গতকাল শুভেন্দু অধিকারী মুকুল রায়ের নাম না করে বলেন, “কৃষ্ণনগর উত্তরের বিধায়ক দলত্যাগ করেছেন। আশা করি তিনি কালকের মধ্যে পদত্যাগ করবেন। তা না হলে বুধবার আমরা তাঁর বিরুদ্ধে দলত্যাগ বিরোধী আইন কার্যকর করার জন্য বিধানসভার অধ্যক্ষের কাছে আবেদন জানাব।” এদিকে তৃণমূল সূত্রে খবর মুকুল রায় হবেন পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটির(PAC) চেয়ারম্যান! শুভেন্দুর হুঁশিয়ারি উড়িয়ে বিধানসভায় থাকবেন মুকুল রায়।
তবে মুকুল কে পিএসি-র চেয়ারম্যান করা হবে কিনা সে বিষয়ে এখনও কোন পাকাপাকি সিদ্ধান্ত নেয়নি তৃণমূল। সব কিছুই আলোচনা স্তরে রয়েছে। সিদ্ধান্ত নেবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উল্লেখ্য, দলত্যাগ বিরোধী আইন অনুযায়ী কোনও বিধায়ক বা সাংসদের সদস্যপদ খারিজ করার ক্ষমতা রয়েছে স্পিকারের হাতে। তবে তিনি দলত্যাগ বিরোধী আইন কার্যকর করবেন কিনা কি না, তার কোন বাধ্যবাধকতা নেই। আর মুকুল রায়কে এখনও ইস্তফা দিতে বলে নি তৃণমূল। তাই স্পিকার সদস্যপদ খারিজ না করলে বিজেপি-র বিধায়ক হিসেবে বিধানসভায় থেঠে বাইরে তৃণমূল থাকতে পারবেন মুকুল রায়!



