মাঠে সুযোগ না পাওয়া, ফর্ম নিয়ে প্রশ্ন— তার মধ্যেই আদালত থেকে মিলল বড় স্বস্তি। স্ত্রী হাসিন জাহানের দায়ের করা চেক প্রতারণা মামলায় আলিপুর আদালত থেকে বেকসুর খালাস পেলেন ভারতীয় ক্রিকেটার মহম্মদ শামি। দীর্ঘদিনের আইনি লড়াইয়ে এই রায়কে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই দেখছেন অনেকে।
বুধবার আলিপুর আদালতে ব্যক্তিগতভাবে হাজির ছিলেন মহম্মদ শামি। ২০১৮ সালে তাঁর স্ত্রী হাসিন জাহান দায়ের করা এক লক্ষ টাকার চেক বাউন্স সংক্রান্ত মামলার শুনানির পর আদালত শামিকে বেকসুর খালাস দেয়।


এই রায় এমন সময়ে এল, যখন ক্রিকেটের মাঠেও খুব একটা স্বস্তিতে নেই ভারতীয় পেসার। সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, জাতীয় দলেও ফেরার পথ কঠিন হয়েছে। সেই পরিস্থিতিতে আদালতের এই সিদ্ধান্ত ব্যক্তিগত স্তরে কিছুটা স্বস্তি এনে দিল বলেই মনে করা হচ্ছে।
যদিও আইনি লড়াই এখানেই শেষ হচ্ছে না। হাসিন জাহানের আইনজীবী সূত্রে জানা গিয়েছে, এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চতর আদালতে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে মামলার পরবর্তী অধ্যায় এখনও খোলা থাকছে।
শামি ও হাসিন জাহানের সম্পর্কের টানাপোড়েন বহু বছর ধরেই প্রকাশ্যে। অতীতে পারিবারিক বিবাদ, আর্থিক অভিযোগ এবং একাধিক আইনি পদক্ষেপ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘ সংঘাত দেখা গিয়েছে।


এদিন আদালত চত্বর ছাড়ার আগে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে শামি বলেন, তিনি শুরু থেকেই বিশ্বাস করেছিলেন রায় তাঁর পক্ষেই যাবে। তাঁর দাবি, যে আর্থিক দায় ছিল তা তিনি পূরণ করেছেন এবং নিজের অবস্থান নিয়ে তিনি আত্মবিশ্বাসী ছিলেন।
ক্রিকেট প্রসঙ্গেও সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়া দেন ভারতীয় পেসার। তাঁর বক্তব্য, মাঠে বা মাঠের বাইরে— সব পরিস্থিতি সামলানোর চেষ্টা তিনি করে চলেছেন।
তবে উল্লেখযোগ্য বিষয়, আদালতের এই রায় নির্দিষ্ট চেক প্রতারণা মামলার প্রেক্ষিতে দেওয়া হয়েছে। অন্য কোনও আইনি বিষয় বা পূর্ববর্তী অভিযোগের সঙ্গে এই রায়ের সরাসরি সম্পর্ক নেই।
এখন নজর থাকবে— এই মামলায় উচ্চতর আদালতে আবেদন হয় কি না এবং মাঠে ফের নিজের ছন্দে ফিরতে পারেন কি না মহম্মদ শামি।



