নজরবন্দি ব্যুরোঃ রাশিয়া সীমান্ত থেকে মাত্র ৫০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান ইউক্রেনের অন্যতম শহর সুমি। রাশিয়া হামলার প্রথম দিন থেকেই কার্যত ধ্বংসাবশেষে পরিণত হয়েছিল সেখানকার শহর। তখন থেকেই আটকে ছিলেন ৭০০ জন পড়ুয়া। জল, খাদ্যাভাবে জীবনযুদ্ধের লড়াই আরও কঠিন হয়ে উঠেছিল। ভিডিওর মাধ্যমে ভারত সরকারের কাছে ফেরতে আর্জি জানিয়েছিল তাঁরা। দীর্ঘ সময় পর গতকাল সেই কার্যসিদ্ধি হয়েছে।


সুমি থেকে পড়ুয়াদের ফেরাতে নিজে উদ্যোগ নিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। নরেন্দ্র মোদির দুটি ফোন আটকে থাকা পড়ুয়াদের ফেরাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে। সমস্ত জট খোলার জন্য ফোন করেছিলেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লোদিমির জেলেনিস্কি। এরপরের ফোনটি করেছিলেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে। এরপরেই পড়ুয়াদের দুই তরফ থেকে আশ্বাস মিলেছিল। দুই জনেউই জানিয়েছিলেন, পড়ুয়াদের ফেরাতে তাঁদের কোনও আপত্তি নেই।
সূত্রে খবর, এরপরেই মস্কো এবং কিয়েভের তরফে মানবিক করিডোর করা হয়। মঙ্গলবার সুমি থেকে পলটোভাতে আনা হয় পড়ুয়াদের। গোটা প্রক্রিয়া চলাকালীন রুশ এবং ইউক্রেনের বিদেশমন্ত্রকের সঙ্গে অবিরত যোগাযোগ জারি রেখেছিলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।
তভে কাজটা এতটা সহ ছিল না। মানবিক করিডোরের কাটখড় পুড়িয়েও কোনও লাভ করতে পারেননি আধিকারিকরা। এমনকি ইউক্রেন এবং রাশিয়ার তরফেও সেভাবে সবুজ সিগল্যান মিলছিল না। তার ওপর রাশিয়া থেকে মাত্র ৫০ কিলোমিটার দূরে সুমি শহরে যাওয়ার জন্য আরজি ছিলেন কোনও ইউক্রেনের ড্রাইভার।


নরেন্দ্র মোদির দুটি ফোন, সুমি থেকে ফিরলেন পড়ুয়ারা

রাশিয়ার তরফে মানবিক করিডোর করার পরেই অন্যান্য দেশের আটকে পড়া পড়ুয়াদের ফেরানো সম্ভব হয়েছে। শুধুমাত্র ভারত নয় বাংলাদেশ, পাকিস্তান, নেপাল সহ অন্যান্য দেশের পড়ুয়াদের ভারতে ইউক্রেন থেকে উদ্ধার করেছে। এর জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।







