মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমশ জটিল হয়ে ওঠা যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে এবার সরাসরি ভারতের অবস্থান স্পষ্ট করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আমেরিকা-ইজরায়েল ও ইরানের সংঘাত তীব্র আকার নেওয়ার প্রেক্ষিতে সোমবার সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় তিনি পরিস্থিতিকে “গভীর উদ্বেগের” বলে উল্লেখ করেন এবং শান্তিপূর্ণ আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের উপর জোর দেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভারত বরাবরই সংঘাত নয়, কূটনৈতিক সংলাপ ও শান্তি প্রক্রিয়ার পক্ষপাতী। তাঁর কথায়, “দ্বন্দ্বের চেয়ে শান্তির শক্তি অনেক বেশি।” বর্তমান বৈশ্বিক উত্তেজনার আবহে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার আহ্বানই ভারতের মূল অবস্থান বলে জানান তিনি।


শান্তি ও কূটনীতির পক্ষে দিল্লি
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইর মৃত্যুর পর মধ্যপ্রাচ্যে পালটা হামলা ও সামরিক সংঘর্ষ বাড়তে থাকে। তার জেরে ইরান-ইজরায়েলের সীমা ছাড়িয়ে গোটা পশ্চিম এশিয়ায় অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে মোদি বলেন, ভারত সব সময় আলোচনার মাধ্যমে বিরোধ মেটানোর পক্ষে। কূটনৈতিক পথেই দীর্ঘস্থায়ী শান্তি সম্ভব বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
ভারতীয়দের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ
যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে বিভিন্ন দেশে আটকে থাকা ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, সংশ্লিষ্ট দেশগুলির সঙ্গে যোগাযোগ রেখে প্রবাসী ভারতীয়দের সুরক্ষা নিশ্চিত করার চেষ্টা চালাচ্ছে নয়াদিল্লি।


তিনি জানান, অস্থিরতা কমানো এবং ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলে ভারতীয়দের কল্যাণই এখন সরকারের অগ্রাধিকার।
কেন আটকে রয়েছে প্রত্যাবর্তন?
বর্তমানে ইরান-সহ মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক দেশের আকাশসীমা বন্ধ থাকায় উদ্ধার বা প্রত্যাবর্তন প্রক্রিয়া সাময়িকভাবে স্থগিত রয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে সরকারি সূত্রের ইঙ্গিত।
আন্তর্জাতিক মহলের মতে, সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হলে শুধু আঞ্চলিক নয়, বৈশ্বিক অর্থনীতি ও কূটনীতিতেও তার প্রভাব পড়তে পারে—যার দিকে নজর রেখেছে ভারত সরকার।







