তেলেঙ্গানার জনসভা থেকে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকে একহাত নিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ভোটের মধ্যে অম্বানি-আদানী ইস্যু নিয়ে সরব হলেন তিনি। অভিযোগ, লোকসভা নির্বাচনের প্রচারে এই দুই শিল্পপতির থেকে মোটা টাকা নিয়েছে কংগ্রেস! পাল্টা হাত শিবিরের দাবি, মতিভ্রম হয়েছে মোদি, ভয় পেয়েছেন তাই এসব বলছেন।
আরও পড়ুন: শ্রীরামপুরে ফের তরজায় কল্যাণ-দীপ্সিতা, CPIM প্রার্থীকে ‘মিস ইউনিভার্স’ বলে কটাক্ষ!


এদিন নরেন্দ্র মোদি বলেন, “বিগত পাঁচ বছর ধরে কংগ্রেসের শাহজাদা বলতেন পাঁচ উদ্যোগপতি, পাঁচ উদ্যোগপতি! এরপর একই রেকর্ড বাজত অম্বানি-আদানী, অম্বানি-আদানী! কিন্তু ভোটের আগে তিনি চুপ করে গেলেন। কেন? অম্বানি-আদানীর থেকে কত মাল (টাকা) নিয়েছেন আপনারা? ট্রাক ভরে কালো টাকা এসেছে কি? আমার মনে হয়, নিশ্চয়ই কিছু গোলমাল হয়েছে।”

পাল্টা মোদির এই বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ বলেছেন, “মোদির কথা শুনেই বোঝা যাচ্ছে উনি ভয় পাচ্ছেন। কংগ্রেসের সঙ্গে অম্বানি-আদানীর কোনও সম্পর্ক নেই।” প্রিয়াঙ্কা গান্ধীও সুর চড়িয়েছেন বিজেপির বিরুদ্ধে। তাঁর কথায়, “নির্বাচনী বন্ড থেকে যে দল কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করল তাঁরাই আবার এইসব কথা বলছে!”



অম্বানি-আদানীর থেকে কত টাকা নিয়েছেন? রাহুলকে প্রশ্ন মোদির, ভয় পেয়ে ভুল বকছেন পাল্টা কংগ্রেস
বহরমপুরের হাত প্রতীকের প্রার্থী তথা প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী বলেছেন, “মোদির আর কিছু বলার নেই। তাই এসব বলছেন। উনি জানলে প্রমাণ করুক। তা পারবে না। শুধু শুধু বড় বড় কথা।” দমদমের সিপিআইএম প্রার্থী সুজন চক্রবর্তী বলেছেন, “ইন্ডিয়া জোটকে ভয় পাচ্ছেন মোদি। গোটা দেশে একজোট হয়ে কাজ করছে কংগ্রেস-সিপিআইএম। এখন উনি দৃষ্টি ঘোরাতে মিথ্যে অভিযোগ আনছেন।” রাজ্যের বিজেপি মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য অবশ্য বলছেন, “কংগ্রেস আর দুর্নীতি সমার্থক।”








