সপ্তাহ শেষ হয়নি, ফের সালিশি সভাকে ঘিরে মারধরের ঘটনা ঘটল রাজ্যে। চোপড়ার পর এবার সালিশি সভায় মারধরের অভিযোগ উঠল পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার কুবাজপুর গ্রামে। অভিযোগ সালিশি সভায় না উপস্থিত হওয়ায় এক প্রৌঢ় দম্পতি ও ছেলেকে বাড়িতে গিয়ে তাদের মারধর করা হয়। দেওয়া হয় খুনের হুমকিও।
সূত্রের খবর, ওই দৌড় দম্পতির ছেলের আদালতে চলা একটি মামলার নিষ্পত্তি সালিশি সভায় করার কথা জানায় এলাকার স্থানীয় তৃণমূল নেতা। দেওয়া হয় হুমকিও। কিন্তু তাঁরা উপস্থিত না হওয়ায় তাদের উপর চড়া হয় ওই তৃণমূল নেতার শাগরেদরা।এই গোটা ঘটনা উল্লেখ করে ওই পরিবার মুখ্যমন্ত্রীকে একটি চিঠিও লেখেন। চিঠিতে মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে ওই দম্পতি লেখেন তাদের বর্তমানে প্রাণের ভয়ে বাইরে বাইরে দিন কাটাতে হচ্ছে। নষ্ট হচ্ছে চাষের ফসল। এমন চলতে থাকলে তাদের আত্মহত্যার পথ বেছে নিতেও হতে পারে।

উল্লেখ্য,গত রবিবারই উত্তর দিনাজপুরের চোপড়ায় এক ‘সালিশি সভা’য় ডেকে যুগলকে রাস্তায় ফেলে মারধরের একটি ভিডিয়ো প্রকাশ্যে আসে (ওই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি নজরবন্দি.ইন)। যাকে নিয়ে তোলপাড় হয় রাজ্য রাজনীতি। সংসদে এই ঘটনার কথা উল্লেখ করেন নরেন্দ্র মোদিও।
ফের তালিবানি অত্যাচার রাজ্যে, সালিশি সভাকে ঘিরে মারধরের ঘটনা পূর্ব বর্ধমানে

যেখানে গণপিটুনি ও সালিশি সভা বন্ধের উদ্দেশ্যে রাজ্যজুড়ে শুরু হয়েছে ধরপাকড়। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে সপ্তাহ ঘুরতে না ঘুরতেই ফেরে এর এই একই রকমের ঘটনায় প্রশ্নের মুখে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা। প্রশ্ন উঠছে, বারবার এই একই ঘটনায় কেন নাম জরাচ্ছে তৃণমূল নেতাদের? তাহলে কি মুখ্যমন্ত্রীর দেওয়া বার্তা নেতাদের কানে পৌঁছাচ্ছে না? নাকি কানে তুলছেন না নেতারা মুখ্যমন্ত্রীর বার্তা?



