রাজনৈতিক বিতর্ক ও লাগাতার প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগের মধ্যে এবার কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা পেলেন ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। আদালতের নির্দেশের পর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক তাঁর জন্য ‘ওয়াই প্লাস’ ক্যাটাগরির নিরাপত্তা ব্যবস্থা অনুমোদন করেছে। বুধবারই কেন্দ্রীয় শিল্প নিরাপত্তা বাহিনীর (CISF) ১৩ জন জওয়ান তাঁর বাড়িতে পৌঁছন বলে জানা গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক হুমকি ও বিক্ষোভের ঘটনার জেরে নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন এই বিধায়ক।
জানা গিয়েছে, বিভিন্ন জায়গা থেকে প্রাণনাশের হুমকি পাওয়ার অভিযোগ তুলে আদালতে নিরাপত্তা বৃদ্ধির আবেদন করেছিলেন হুমায়ুন কবীর। সেই আবেদনের ভিত্তিতেই আদালতের নির্দেশে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক তাঁর জন্য ‘ওয়াই প্লাস’ নিরাপত্তা ব্যবস্থার অনুমোদন দেয়।


উল্লেখ্য, কয়েক মাস আগে ধর্ম নিয়ে রাজনীতি এবং দলবিরোধী মন্তব্যের অভিযোগে তৃণমূল কংগ্রেস থেকে বহিষ্কৃত হন হুমায়ুন কবীর। তার পরই তিনি নতুন রাজনৈতিক দল গঠনের ঘোষণা করেন। এরপর থেকেই একাধিকবার প্রকাশ্যে দাবি করেন যে তাঁকে নানা ভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছে।
এক সময় তাঁর নিরাপত্তার জন্য বেসরকারি বাউন্সার মোতায়েন করা হয়েছিল বলেও খবর সামনে আসে। প্রথমে দাবি করা হয়েছিল, সেই বাউন্সাররা নাকি হায়দরাবাদ থেকে আনা হয়েছে। কিন্তু পরে জানা যায়, তাঁদের অধিকাংশই পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পরই ওই বাউন্সারদের সরিয়ে দেন হুমায়ুন।
এদিকে নতুন রাজনৈতিক দল গঠন নিয়েও এগোচ্ছেন ভরতপুরের এই বিধায়ক। তাঁর দল ‘আম জনতা উন্নয়ন পার্টি’-র প্রাথমিক রেজিস্ট্রেশন ইতিমধ্যেই মঞ্জুর করেছে নির্বাচন কমিশন। পরবর্তী ধাপে সংবাদপত্রে নতুন দলের বিজ্ঞাপন দিতে হবে। যদি কোনও আপত্তি না ওঠে, তবে নির্বাচন কমিশন আনুষ্ঠানিকভাবে দলটিকে রাজনৈতিক দল হিসেবে স্বীকৃতি দেবে। এরপরই প্রতীকের জন্য আবেদন করতে পারবেন হুমায়ুন কবীর।









