কাশ্মীর উপত্যকায় অশান্তি থামার কোন লক্ষণই নেই। সামনেই কাশ্মীরে বিধানসভা নির্বাচন। আর তার আগে ফের কাশ্মীরে জঙ্গি হানা। এবার সেনা ক্যাম্পে হামলা চালালো জঙ্গিরা। এই হামলায় আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন জওয়ান। পাল্টা আঘাতে গুলির লড়াই চলছে জঙ্গি এবং সেনাদের মধ্যে। খবরে প্রকাশ, সোমবার ভোর রাতে রাজৌরীর গুন্ধা এলাকার একটা সেনা ঘাঁটিতে অতর্কিত হামলা চালায় জঙ্গিরা।

ভোর রাতের অতর্কিত এই হামলায় থতমতো খেয়ে যাই সেনারা। এরপরে একটু ধাতস্থ হয়েই পাল্টা লড়াই দেয় ভারতীয় জওয়ানরা। ইতিমধ্যেই গোটা এলাকা ঘিরে জঙ্গিদের খোঁজে চিরুনি তল্লাশি শুরু হয়ে গিয়েছে। এই হামলায় ইতিমধ্যেই দুই সেনা জওয়ান গুরুতর আহত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। লোকসভা নির্বাচনের পর কেন্দ্রীয় সরকার কাশ্মীরে জঙ্গি হানা রুখতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সেনা অধিকর্তা এবং পুলিশ কর্তাদের নিয়ে বৈঠক করেছিলেন।



কিভাবে জঙ্গি হানা কমানো যায় তা নিয়ে আলোচনা হয়েছিল সেই বৈঠকে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও কাশ্মীরের জঙ্গি হানা নিয়ে উচ্চস্তরীয় বৈঠক করেছিলেন। কিন্তু কোন কিছুতেই জেনো রাখা যাচ্ছে না কাশ্মীর উপত্যকায় জঙ্গিহানা। ১ জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত জম্বু কাশ্মীরে জঙ্গি হানায় একজন মেজর সহ ১২ জন নিরাপত্তারক্ষী ও ১০ জন নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। সীমান্তে নিরাপত্তা রক্ষীদের গুলিতে মৃত্যু হয়েছে ৫ জঙ্গির।
জম্বু কাশ্মীরের এই ঘটনা নিয়ে লোকসভাতেও বিরোধী দলগুলি সরকারের সমালোচনা করে চলেছেন। ভূস্বর্গে শান্তি বজায় রাখতে এবং সন্ত্রাসবাদীদের সাথে সমানে সমানে লড়াই করতে ইতিমধ্যেই পিএসএফ কমান্ডো বাহিনী নামিয়েছে ভারতীয় সেনা। জঙ্গিদের নিকেশ করতে জম্বুতে ৫০০ পিএসএফ কমান্ডো মোতায়ন করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন কাশ্মীরে বিধানসভা নির্বাচনের সময় যত এগিয়ে আসছে জঙ্গিরা ততই তৎপর হয়ে উঠছে তা বানচাল করবার জন্য।


ফের কাশ্মীরে জঙ্গি হানা, ভোররাতে সেনা ক্যাম্পে হামলা, আহত সেনা জওয়ান

নিরাপত্তা বাহিনীর সূত্রে খবর, পাকিস্তান থেকে প্রশিক্ষিত জঙ্গিরা প্রথমে এদেশে ঢুকে গা ঢাকা দিয়ে রয়েছে কাশ্মীরের কোন না কোন গ্রামে। তারপর যে কোন সময় অতর্কিত হামলা চালাচ্ছেন তারা। এই হামলা রুখতে যেমন কমান্ডো বাহিনী বা স্পেশাল ফোর্সকে মোতায়ন করা হয়েছে তেমনি জম্বু কাশ্মীর উপত্যকায় বাহিনী পুনর্ববিন্যাস এর কথাও ভাবছে কেন্দ্রীয় সরকার।








