নজরবন্দি ব্যুরোঃ গরু পাচার মামলায় তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের ঠিকানা এখন আসানসোলের সংশোধনাগার। ১১ অগাস্ট কেষ্ট জেলবন্দী হওয়ার পর থেকেই বীরভূমে বদলাচ্ছে শুরু করেছে রাজনৈতিক পরিস্থিতি। মঙ্গলবার সিপি(আই)এমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিমের মন্তব্যে সেই পালে খানিকটা হাওয়া লেগেছে। পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূলের নেতাদের ডুবিয়ে দিতে হবে। মন্তব্য বর্ষীয়ান বাম নেতার।
আরও পড়ুনঃ Shibpur: ১৩৪ কোটি টাকা লেনদেনের হদিশ, শৈলেশের আরও একটি বাড়িতে অভিযান
এদিন বীরভূমের মাড়্গ্রামে একটি জনসভা থেকে সেলিমের মন্তব্য, এদের পঞ্চায়েত নির্বাচনে জুতো মেরে তাড়াতে হবে। পরিষ্কার কথা। এখন বোঝা যাচ্ছে তৃণমূলের নেতারা ডুবে ডুবে জল খেত না? এবার তাঁদের ডুবিয়ে দিতে হবে। যেন আর না ভেসে উঠতে পারে। আজকে যদি কেউ মনে করে কাস্তের শানটায় ভোঁতা হয়ে গেছে, লুঠের রাজত্ব চালাবে, তাহলে আমরা ভাইয়েদের বলব কাস্তেটায় ভালো করে শান দিয়ে রাখুন। তাতে শানও বাঁচবে। মানও বাঁচবে।

সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সেলিম বলেন, ভাইপোকে বাঁচাতে তৃণমূলের সব বদগুলোকে বলির পাঁঠা করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু কালীঘাটের মা কালী সব বদ গুলোর মুণ্ড না নিয়ে খান্ত হবেন না। তিনি আরও বলেন, প্রথমে আনিস খান হত্যায় ধৃত পুলিশকর্মীরা বলেছেন। প্রাক্তন মন্ত্রী ধৃত পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেছেন। দু’দিন পর অনুব্রত মণ্ডলও বলবেন। প্রথমে ভেবেছিলেন আরএসএস, বিজেপিকে ধরে অনুব্রতকে বাঁচাবেন। সেই সেটিং না হওয়ায় অনুব্রতকে বীরের সম্মান দিয়ে তাঁর জেলে বন্দি থাকার ব্যবস্থা পাকা করেছেন। আগামীদিনে আরও চোরদের জেলে ঢোকানো হবে।
তৃণমূলের নেতাদের ডুবিয়ে দিতে হবে, বিস্ফোরক সেলিম

একসিওঙ্গে রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে তৃণমূলকে তোপ দাগতে পিছপা হননি সেলিম। সেলিমের কথায়, রাজ্যজুড়ে গণতন্ত্রকে নিধন করা হয়েছে। মানুষের ঐক্য ভেঙেছে। কিন্তু মানুষ পুনরায় ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। আর তাঁদের ঐক্য ভাঙা যাবে না। বিভিন্ন চাকরির ক্ষেত্রে ঐক্য ভেঙে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এখন তা হবে না। চাকরিপ্রার্থীরা রাস্তায় নেমেছেন। তাঁদের হকের চাকরির দাবিতে আমরাও তাঁদের পাশে থেকে সাহায্য করে যাচ্ছি। একইসঙ্গে সল্টলেকে আন্দোলনরত টেট চাকরি প্রার্থীদের পাশে রয়েছেন বলেও জানিয়েছেন সিপি(আই)এমের রাজ্য সম্পাদক।








