নজরবন্দি ব্যুরোঃ পাঞ্জাব জয়ের পর রাজ্যের বিস্তার ঘটছেছে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের আম আদমি পার্টি। রাজ্য জুড়ে শুরু হয়েছে পার্টির সদস্য গ্রহণ অভিযান। একাধিক জেলায় বাড়ছে আপের প্রভাব। এখন বিজেপি থেকে তৃণমূল-সিপি(আই)এম নয়, এবার পদ্ম শিবিরের ভাঙন ধরিয়ে ঝাড়ু হাতে তুলে নিচ্ছেন বহু দিনের পোড় খাওয়া নেতারা। এমনটাই ঘটেছে উত্তরবঙ্গে।
আরও পড়ুনঃ ঠিক কি কারণে মৃত্যু বিদিশার? অবসাদ না অন্য কিছু? ধন্দে পুলিশ


২০১৪ সাল থেকে ২০২০ অবধি জলপাইগুড়ি জেলায় কিসান মোর্চার দায়িত্ব সামলেছিলেন নবেন্দু সরকার। তাঁর নেতৃত্বে রাজগঞ্জ এবং গাজলডোবায় জমি আন্দোলন সংগঠিত হয়েছিল। সেই নবেন্দু সরকারের অভিযোগ, কাজের মানুষের বদলে কাছের মানুষকে বেশী করে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সম্প্রতি দলের যা অবস্থা তৃণমূলের থেকে বিজেপিকে আলাদা করা যাচ্ছিল না। আম আদমি পার্টির তরফে যগাযোগ করা হলেই যোগদান করেন তিনি।
পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় পার্টির সংগঠন কে মজবুত করে তুলতে আজ নবরূপে মুর্শিদাবাদ ও জলপাইগুড়ি জেলা কমিটির সূচী ঘোষণা করা হলো। বাকি জেলার দলগুলি খুব শীঘ্রই ঘোষণা করা হবে।#AAPinBengal pic.twitter.com/yfNyiacIsl
— Aam Aadmi Party West Bengal (@AamAadmiPartyWB) May 24, 2022
শোনা যাচ্ছে দেশের অন্যান্য রাজ্যের মতো এবার বাংলাতেও সংগঠন বাড়াতে চাইছে আম আদমি পার্টি। আগামী বছর পঞ্চায়েত নির্বাচনে প্রার্থী দেওয়ার কথা ভাবছে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের দল। সমস্ত জেলায় বা সমস্ত আসনে প্রার্থী না দিলেও যে জেলায় সংগঠন মজবুত সেখানে প্রার্থী দিতে চায় তাঁরা।
এর মধ্যে বিশেষ নজরে রয়েছে উত্তর ২৪ পরগণা, কোচবিহার ,মালদহ, উত্তর দিনাজপুর এবং মুর্শিদাবাদ। কারণ, এই কয়েকটি জেলায় ব্যাপকহারে সদস্যপদ গ্রহণ হয়েছে। সমস্ত জেলায় না হলেও ১৬ জেলায় জেলা কমিটি গঠন করে সংগঠন বাড়াতে চায় আপ। বাংলায় আপ নেতাদের একাংশ জানাচ্ছেন, যে সমস্ত জেলায় সংগঠন ভালো রয়েছে।
আপাতত হাওড়া এবং উত্তর ২৪ পরগণা থেকেই কাজ শুরু করতে চাইছে তাঁরা। তবে জঙ্গলমহল এলাকায় সংগঠন তৈরি করা একটু চাপ হলেও ঝাড়গ্রামের দিকে বিশেষ নজর রয়েছে।
বিজেপি থেকে তৃণমূল-সিপি(আই)এম নয়, রাজ্যে বাড়ছে আপের সংগঠন
গতকালের যোগদানের পর এবার জলপাইগুড়িতে গঠিত হন আপের জেলা কমিটি। যার ইনচার্জ করা হয়েছে নবেন্দু সরকারকে। দক্ষিণবঙ্গ ছাড়িয়ে এবার আপের লক্ষ্য উত্তরবঙ্গও।









