নজরবন্দি ব্যুরোঃ পল্লবীর রহস্যমৃত্যুর পর সোশাল মিডিয়ায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন ‘বন্ধু’ বিদিশা। লিখেছিলেন, ‘মানতে পারলাম না’। অথচ তার ঠিক ১০ দিন পর একই কাণ্ড ঘটিয়ে বসলেন মডেল। নাগেরবাজারের ফ্ল্যাট থেকে তাঁর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হল বুধবার বিকেলে। ঠিক কী কারণে এই পদক্ষেপ করলেন ২১ বছরের মডেল, সেই নিয়ে ধন্দে পুলিশ।
আরও পড়ুনঃ জঙ্গিদের গুলিতে খুন কাশ্মীরের জনপ্রিয় টেলি অভিনেত্রী, কারণ নিয়ে ধন্দে পুলিশ


মডেল বিদিশা দে মজুমদারের রহস্যমৃত্যুতে তাঁর নিকটজনেদের মুখে বারবার উঠে আসছে একটাই নাম, অনুভব বেরা। মেদিনীপুরের বাসিন্দা শরীরচর্চার এই প্রশিক্ষককেই নাকি চোখে হারাতেন ওই তরুণী। তাঁর সঙ্গে থাকতে চেয়ে মা-বাবার সঙ্গে ঝগড়াও করতেন। রাগের মাথায় নৈহাটির বাড়ি ছেড়েছিলেন মাঝরাতে।

তখন থেকেই কলকাতার বাসিন্দা আধা মফস্সলের মেয়েটি। প্রায় রোজই ফটোশ্যুট থাকত বিদিশার। নয়তো বিভিন্ন ইভেন্টেও যোগ দিতেন। বন্ধুরা জানিয়েছেন, রোজগার ছিল ভালোই। বাবা–মাকে নিয়মিত খরচও পাঠাতেন। ছোট বোন ছিল বাড়িতে। তারও দেখভাল করতেন। তার পর নিজের জন্য খরচ করতেন।



এ হেন বিদিশার অবসাদ কী নিয়ে? ঘনিষ্ঠরা বলছে, আরও কাজ চাইতেন তিনি। আরও টাকা রোজগার করতে চাইতেন। সেজন্য ছুটতেন দিনরাত। নাগেরবাজারের রামগড় কলোনিতে বিদিশার রুমমেট ছিলেন কলেজের সহপাঠী দিশানী। সকালে কলেজ যাওয়ার সময় দেখেন বিদিশার দরজা বন্ধ। কাজ না থাকলে দেরি করতে উঠতেন তিনি।

ঠিক কি কারণে মৃত্যু বিদিশার? অবসাদ না অন্য কিছু? ধন্দে পুলিশ
তাই আর ডাকেননি। বেলায় বিদিশার মা পম্পাও ফোন করেন। ফোন ধরেননি মেয়ে। ভেবেছিলেন ঘুমিয়ে রয়েছে। বিকেলে কলেজ থেকে ফিরেও দেখেন দরজা বন্ধ। ঠেলে ঢুকতেই চোখ কপালে। ওড়না গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলছেন বিদিশা। পুলিশকে জানান দিশানী।







