প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি দিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিষয়, বিতর্কিত ন্যায় সংহিতা আইন পুনর্বিবেচনা করতে হবে এবং এখনই তা কার্যকর করা যাবে না। আগামী ১ জুলাই থেকেই এই আইন কার্যকর হবার কথা ছিল। তৃণমূল নেত্রী ফের একবার এই আইনের বিরোধিতা করে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিলেন।
আরও পড়ুন: প্রিয়াঙ্কার হয়ে প্রচার করবেন মমতা? সেই প্রস্তাব দিতেই নবান্নে ছুটে আসেন চিদম্বরম


গত বছর ১১ অগস্ট সংসদের বাদল অধিবেশনের শেষ দিনে পুরনো ফৌজদারি আইনের পরিবর্তে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা, ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা ও ভারতীয় সাক্ষ্য বিল পাশ করায় কেন্দ্র। এই তিন আইনকে একসঙ্গে ন্যায় সংহিতা বলে নাম দেওয়া হয়েছে। ডিসেম্বর মাসে গিয়ে সংসদের শীতকালীন অধিবেশনে ১৪৬ জন বিরোধী সাংসদকে বহিষ্কার করে ধ্বনিভোটে মোদি সরকার পাশ করিয়ে নেয় তিনটি বিল। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু অনুমোদন দিয়ে সই করেন।

এবারের চিঠিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছেন, “এই তিন আইন স্বৈরাচারী মানসিকতা থেকে পাশ করানো হয়েছিল। গণতন্ত্রের কালো দিনে আইনটি তৈরি হয়েছিল। আমার মনে হয় এবার এই আইনটি পুনরায় খতিয়ে দেখার সময় এসেছে। তিন আইন নতুন করে সংসদে পেশ করতে হবে। ওই আইনগুলি সেসময় দ্রুততার সঙ্গে পাশ করানো হয়েছিল। এবার ওই আইনের অনেক ধারাতেই আপত্তি জানানো হবে। সেটা হলে, নতুন জনপ্রতিনিধিরাও আইনগুলি খতিয়ে দেখার সুযোগ পাবেন।”
স্বৈরাচারী পদ্ধতিতে আইন পাশ, ফের ন্যায় সংহিতার বিরোধিতা করে মোদিকে চিঠি মমতার



আগামী ২৪ জুন থেকে শুরু হচ্ছে লোকসভার প্রথম অধিবেশন। সেখানে নতুন এনডিএ সরকারকে শুরু থেকেই চাপে রাখতে চান বিরোধিরা। বৃহস্পতিবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে নবান্নে দেখা করতে আসেন দেশের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী তথা বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা পি চিদম্বরম। তার ঠিক এক দিন পরেই মোদিকে এই বিষয়ে চিঠি দিলেন তৃণমূলনেত্রী। দু’জনের মধ্যে এ নিয়ে আলোচনা হয়ে থাকতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।







