নজরবন্দি ব্যুরোঃ পঞ্চায়েত নির্বাচনের ভাগ্য ঝুলছে আদালতের হাতে, তার মধ্যেই বোর্ড গঠনের নির্দেশ দিল নবান্ন। তিনটি স্তরে আগামী অগাস্ট মাসের মধ্যে বোর্ড গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই মর্মে সমস্ত জেলা শাসক এবং জেলা পঞ্চায়েত নির্বাচন অফিসারের কাছে নির্দেশ পাঠানো হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ ১৬ আগস্টের মধ্যে পঞ্চায়েতের সব স্তরে বোর্ড গঠনের নির্দেশ দিল নবান্ন
পঞ্চায়েতের তিনটি স্তরে ওই সময়ের মধ্যে বোর্ড গঠন করতে বলা হয়েছে নির্দেশিকায়। এই সবের মধ্যেই এবার নাম না করে নিজের দলের বিধায়কে সতর্ক করলেন মুখ্যমন্ত্রী। আর তিনি হলেন মুর্শিদাবাদের ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। বৃহস্পতিবার বিধানসভায় পঞ্চায়েত ভোট প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘যা সন্ত্রাস হয়েছে তা সবটাই বিরোধীদের মদতে।

আমার দলেও মুর্শিদাবাদের একজন বিধায়ক রয়েছেন। যিনি গুন্ডামি করেন মাঝেমধ্যেই হুঙ্কার দেন। আমি এসব কাজকে সমর্থন করি না।’ এর আগেও প্রশাসনিক সভায় হুমায়ুন কবীরকে সতর্ক করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিধানসভায় কার্যত সকল সামনেই নাম না করে হুমায়ুন কবীরের সমালোচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী।

তিনি আরও বলেন, ‘আমি কাউকে ছাড়ি না । আমার দলের হলেও আমি ছাড়িনা। এর আগে অনেকেকেই অ্যারেস্ট করিয়ে দিয়েছি। পুলিশকে বলেছি এরকম কেউ অশান্তি করলেই তার বিরুদ্ধে অ্যাকশন নিতে হবে।’ উল্লেখ্য, পঞ্চায়েত ভোটের আগে থেকে তৃণমূল নেতৃত্বের বিরুদ্তেরবিভিন্ন সময় নিজের ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন তৃণমূলের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর।
আমার দলেও একজন বিধায়ক রয়েছেন যিনি গুন্ডামি করেন, নাম না করে হুমায়ুনকে সতর্ক করলেন মমতা

যার ফলে বারবার অস্বস্তিতে পড়তে হয়েছে দলকে। তাকে বোঝানোর জন্য মুর্শিদাবাদে ছুটে গিয়েছেন রাজ্য নেতারা। তবু তার মুখে কুলুপ দেওয়া যায়নি। এর আগে দলীয় সভায় তৃণমূল সুপ্রিমও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হুমায়ুন কে সতর্ক করেছিলেন। কিন্তু এবার ভরা বিধানসভায় তার নিজের দলের বিধায়ককে গুন্ডা বলতে ছাড়লেন না মুখ্যমন্ত্রী।



