শনিবার কলকাতা হাই কোর্টের বার লাইব্রেরির দ্বিশতবর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে শহরে এসেছেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়। একই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। দু’জনই আজ সেই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রেখেছেন।
আরও পড়ুন: শনি-রবিতে মুষলধারে বৃষ্টির সঙ্কেত, ভিজবে কোন কোন জেলা?
হাই কোর্টের বার লাইব্রেরির দ্বিশতবর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “প্রথমেই আমি কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানাব আমাকে এই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য। দেশের প্রধান বিচারপতির সঙ্গে একই মঞ্চ ভাগ করে নিতে পেরে আমি গর্বিত। বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় এবং তাঁর বাবা দু’জনেই ভারতীয় বিচারব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। আমি নিজেও আইনের লোক। সারা জীবনের তিন-চারটে কেস লড়েছি। এখনও আমি বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য। তাই আমাকে আপনারা নিজেদের পরিবারের সদস্য বলেই মনে করতে পারেন।”

সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, “বিচারব্যবস্থা আমার কাছে মন্দির-মসজিদ-গির্জা-গুরুদ্বারের মত। সরকার সব সময় বিচারব্যবস্থার সঙ্গে আছে। বিচারব্যবস্থা যদি মানুষকে সাহায্য না করে তাহলে মানুষ কোথায় যাবে? আমাদের বিশ্বাস দেশের বিচারব্যবস্থা মানুষকে রক্ষা করবে। বিচারপতি চন্দ্রচূড় দেশের বিচারব্যবস্থাকে অনেক উন্নত করেছেন।”
মমতার বক্তব্যে আরও উঠে এসেছে, “আমরা বিচারব্যবস্থাকে উন্নত করতে ৭০০ একর জমি দিয়েছি। রাজারহাটে নতুন হাই কোর্ট তৈরি হবে। রাজ্য সরকার হাজার কোটি টাকা খরচ করার জন্য প্রস্তুত। কিন্তু আমার অনুরোধ বিচারব্যবস্থায় যেন কোনও রকম রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্ব না থাকে। বিশুদ্ধ এবং সৎ পথে সমস্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত এবং সর্বোপরি বিচারব্যবস্থায় গোপনীয়তা বজায় রাখা উচিত।”
বিচারব্যবস্থায় রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্ব থাকা উচিত নয়, চন্দ্রচূড়ের সামনে বললেন মমতা

কলকাতা হাই কোর্টের বার লাইব্রেরির দ্বিশতবর্ষ উপলক্ষে এই অনুষ্ঠানটি আয়োজন করা হয়েছে বাইপাসের ধারে একটি হোটেলের বলরুমে। চন্দ্রচূড় ও মমতা ছাড়াও সেখানে উপস্থিত ছিলেন বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম। যিনি সাম্প্রতিক সময়ে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে একাধিক রায় দিয়েছেন। তিনিও এদিন বক্তব্য রাখেন।



