নজরবন্দি ব্যুরোঃ নন্দীগ্রামে হেরে বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর পদে বসেছেন মমতা, নিয়মমতো ভোটের ফল প্রকাশের পর হেরে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর পদে বসলে ৬ মাসের মাথায় রাজ্যের কোন বিধানসভা থেকে জিতে ফিরে আসতে হবে তাঁকে।
আরও পড়ুনঃ BJP’র আনা অনাস্থা ভোটে গিয়েই তাড়া খেলেন, বেগতিক দেখে দে দৌড় জগন্নাথের


সেই সময় এসেছে রাজ্যে। আগামী ৩০ তারিখ বাংলায় উপনির্বাচন ভবানীপুর কেন্দ্রে। সেখান থেকেই এবার ভোট লড়বেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ বুধবার দুপুর থেকে কোভিড বিধি মেনে নিজের নির্বাচনী প্রচার এবং কর্মীসভা শুরু করলেন মুখ্যমন্ত্রী।
আর উপনির্বাচনের একেবারে মুখে দাঁড়িয়ে তিনি স্বীকার করলেন নন্দীগ্রামে হেরে তিনি চেয়েছিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর পদে বসুক অন্য কেউ। নিজের ২১১১,২০১৬ তে জিতে আসা ভবানীপুর ছেড়ে ২১ এর ভোট যুদ্ধে নাম দিয়েছিলেন নন্দীগ্রামের হয়ে।

প্রাক্তন সেনাপতি শুভেন্দুর সঙ্গে কড়া টক্করে হেরেছেন তিনি। তৃণমূলের গোটা ভোট জুড়ে প্রচার ছিলই ২৯৪ আসনের প্রার্থী মমতা। তবুও রাজ্যের বাকি দল গুলিও কটাক্ষ করে একাধিক বার বলেছে হেরে গিয়েও কেন মুখ্যমন্ত্রী তিনি। কাজ উপনির্বাচনের প্রথম প্রচারে তারি ব্যাখ্যা দিয়েছেন মমতা।


তাঁর সাফ বক্তব্য ছিল তিনি চেয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রীর পদে বসুক অন্য কেউ, সাহায্য করবেন তিনি তৃণমূলের চেয়ারম্যান হিসাবে। কিন্তু রাজি হয়নি দল। এবং দলের জোরাজুরিতেই তিনি বসেছেন নবান্ন’র কুর্শিতে। আজ মঞ্চে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, ”এখন যদি আমি বক্সিদাকে বলি বক্সিদা আমার সঙ্গে ঝগড়া করবেন। আমি ওঁদের বললাম ছেড়ে দিন না, কী দরকার?
নন্দীগ্রামে হেরে মমতা চেয়েছিলেন কুর্শিতে বসুক অন্য কেউ, রাজ্য সামলাতে সাহায্য করবেন তিনি।
আমি তো এতদিন করলাম, আপনারা করুন, আমিই সবটা করে দেব। বলল, না হবে না। সবার জন্য ‘এক ব্যক্তি এক পদ’ আর আমার জন্য বলবে চেয়ারম্যানও থাকতে হবে, আবার মুখ্যমন্ত্রীও থাকতে হবে। আমি বললাম কেন? আমার সঙ্গে এই বিভেদ কেন? সে ওঁরা শুনবে না। জিজ্ঞেস করুন সামনা-সামনিই বলছি।”
এদিকে নদীগ্রামের হার নিয়ে আদালতে মামলা করেছেন মমতা। আজ সেই প্রসঙ্গে বলেন, ”মেশিনের পর মেশিন ভাঙা। প্রত্যেকটা বুথ অফিসার থেকে শুরু করে আইসি, সবাইকে বদলে দেওয়া হয়েছে। যে বুথে ৫০০ ভোট, সেখানে ভোট পড়েছে হাজারের বেশি। খালি ছাপ্পা করা হয়েছে, কাউকে ভোট করতে দেওয়া হয়নি।
আমি বাধ্য হয়ে একটা বুথে গিয়ে নিজে ২ ঘণ্টা বসে ছিলাম। সেদিন কেউ আমার কথা শোনেনি। আমাকে হারাতে প্ল্যানিং করা হয়েছিল, কে করেছে আমি জানি। নির্বাচনে আমাকে আবার দাঁড়াতে হল ওঁদের ষড়যন্ত্রের জন্য।” একই সঙ্গে বলেন, তবে ভালই হয়েছে, আমি আবার ভবানীপুরে ফিরে আসতে পেরেছি। আমরা সবাইকে নিয়ে পরিবারের মতো চলি।







