নজরবন্দি ব্যুরোঃ সোমবার আলিপুরের ধনধান্য প্রেক্ষাগৃহে ‘রিয়েল এস্টেট কনভেনশন’-এ যোগ দিয়ে আবারও কেন্দ্রীয় এজেন্সসির বিরুদ্ধে নিজের ক্ষোভ উগড়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলনেত্রী বললেন, কারুর থেকে পয়সা নিয়ে এক কাপ চা পর্যন্ত খাইনি অথচ আমার পরিবারকে হেনস্থা করা হচ্ছে। আর কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী?
আরও পড়ুনঃ Kuntal Ghosh-র চিঠি মামলায় ফের ভর্ৎসনার মুখে CBI, তদন্তে ঢিলেমি কেন? প্রশ্ন বিচারকের


কেন্দ্রীয় এজেন্সির বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশের পাশাপাশি এদিন শিল্পপতিদের বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকদের কাজে লাগানোর অনুরোধ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘‘আমরা আমাদের জমি নীতি বদল করেছি। আপনাদের কাজের জন্য সব রকম সুবিধা দেওয়া হয়েছে। চা-বাগানের ১৫ শতাংশ জমিকে পর্যটন শিল্পে ব্যবহার করা যাবে। সঙ্গে চা-বাগানের চাষের কাজও হবে। ‘ফ্রি হোল্ড’ পলিসিতে শিল্প স্থাপনের জন্য যত্রতত্র ঘুরে বেড়াতে হবে না। আমাদের অনেক ল্যান্ড ব্যাঙ্ক থেকে আপনারা শিল্প ক্লাস্টার, পরিবহণ লজিস্টিক হাব তৈরি করতে পারবেন।’’

পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, “কর্মচারীরা আমাদের সম্পদ। মুর্শিদাবাদ, মালদহ এবং উত্তর দিনাজপুরের লোকেরা ভাল নির্মাণ শ্রমিক। তাই তাঁদের অন্যত্র নিয়ে যাওয়া হয় কাজের জন্য। অর্থের জন্য তাঁদের নিয়ে যাওয়া হলেও তাঁদের নিরাপত্তা নেই। আপনারা একটি অ্যাপ তৈরি করুন। সেখানেই রাজ্যের শ্রমিকদের রাজ্যেই কাজে লাগানোর ব্যবস্থা করুন। পরিযায়ী শ্রমিকদের আপনারা কাজে লাগান। তথ্যভান্ডার আমরা দিয়ে দেব। স্থানীয় মানুষ কাজ পেলে তাদের যাতায়াত এবং খাবার খরচ কমবে।”



কারুর থেকে এক পয়সা নেইনি তাও পরিবারকে হেনস্থা, গোয়েন্দা এজেন্সির কার্যকলাপে ক্ষুব্ধ মমতা
এরপরেই কেন্দ্রীয় এজেন্সির বিরুদ্ধে সরব হতে দেখা যায় মুখ্যমন্ত্রীকে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “কখনও কখনও কিছু কিছু লোক আপনাদের উত্যক্ত করবে। এটা নতুন কিছু নয়। শুধু আপনাদের নয়, কিছু এজেন্সি দিয়ে বারবার সমস্ত ব্যবসায়ীদের হেনস্থা করা হচ্ছে। আমার পরিবারও এই হেনস্থার শিকার হচ্ছে। যদিও আমি সারা জীবনে কখনও এক পয়সা, এক কাপ চা কারও কাছ থেকে নিইনি। এটা এক রকম রাজনৈতিক প্রতিহিংসা। একে বেশি গুরুত্ব দেবেন না। আমি বুঝতে পারি না, আপনি যদি কিছু কেনেন, ধরুন সেটা কাপ আর প্লেট, ইডি কি তার তদন্ত করতে পারে?”








