নজরবন্দি ব্যুরোঃ রাজ্যের শাসক দলের দুর্নীতির প্রতিবাদে ১৩ তারিখ নবান্ন অভিযানে বিজেপি। সেদিনেই মেদিনীপুরে উপস্থিত হচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আগামী ১৩ তারিখেই খড়গপুরে সভা করবেন তিনি। সেখানেই দুই মেদিনীপুর নিয়ে বিশেষ ঘোষণা করবেন তৃণমূল সুপ্রিমো।


সূত্রের খবর, আগামী ১৩ তারিখ পশ্চিম মেদিনীপুরের খড়গপুরে সভা করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই তিন দিনের কর্মসূচির জন্য দুই জেলায় প্রস্তুতি তুঙ্গে। শোনা যাচ্ছে, সেই সফরেই পূর্ব মেদিনীপুরের জেলা সভাপতির নাম ঘোষণা করবেন তিনি।

সূত্রের খবর, একসময় পূর্ব মেদিনীপুর জুরে দাপিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। এখন দলবদল করলেন তাঁর ব্যক্তিগত ইমেজ বিজেপিকে অনেকটাই আগিয়ে রেখেছে। বিরোধী অদলনেতার ইমেজকে ক্যাশ করেই পঞ্চায়েত ও লোকসভা নির্বাচনে ঘুটি সাজাচ্ছে গেরুয়া শিবির। কিন্তু এত সহজে শুভেন্দুকে জায়গা ছেড়ে দিতে নারাজ ঘাসফুল শিবির। সেই মতো প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে তাঁরাও।
আগামী বছরেই রয়েছে পঞ্চায়েত নির্বাচন। এর আগে জেলা সভাপতি নির্বাচনের কাজ সেরে ফেলতে চাইছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই তালিকায় প্রথম স্থানেই রয়েছেন প্রাক্তন মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র। কারণ, মন্ত্রীপদ থেকে সরিয়ে সাংগঠনিক দিতে চলেছে তৃণমূল। তা আগে থেকেই স্পষ্ট ছিল। তবে কিছুটা সম্ভাবনা রয়েছে অখিল গিরির। যেহেতু তিনি মন্ত্রী, তাঁকে জেলা সভাপতির পদে বসানো হবে?দলীয় হাইকম্যান্ডের সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে সকলেই।


নবান্ন অভিযানে বিজেপি, ওই দিনেই জেলা সভাপতি ঘোষণা করবেন মমতা

গত বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম কেন্দ্র থেকে লড়াই করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নন্দীগ্রামে মাত্র ১৯৫৬ ভোটে মমতার পরাজয়ের কারণ হিসেবে সর্ষের মধ্যে ভুতকেই দোষারোপ করেছিলেন দলীয় নেতারা। সরব হয়েছিলেন বর্ষীয়ান তৃণমূল নেতা সুব্রত বক্সি। তবুও পুরভোটে বালু মাটিতে ফুঁটেছে ঘাসফুল। পরাজিত হয়েছেন শুভেন্দুর ঘনিষ্ঠ প্রার্থীরা। সেই ধারাকে অব্যাহত রাখতেই লড়াকু কোনও নেতাকে জেলার দায়িত্ব দেবেন মমতা। এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।







