‘প্রধানমন্ত্রীকে বলছি, অমিত শাহকে কন্ট্রোল করুন’, IPAC-এর অফিসে ED-র হানা নিয়ে হুঙ্কার মমতার

শেষে তিনি সরাসরি প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে বলেন, “I am sorry—এই ইডি হানার পর আপনাদের আসন শূন্য হবে। প্রধানমন্ত্রীকে বলছি, অমিত শাহকে কন্ট্রোল করুন।”

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

ইডি অভিযানের মাঝেই নাটকীয় অবস্থান মুখ্যমন্ত্রীর। সল্টলেক সেক্টর ফাইভে I-PAC-এর দফতরে বসেই স্পষ্ট বার্তা দিলেন Mamata Banerjee—সমস্যার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তিনি সেখানেই থাকবেন। দলের তথ্য ও কৌশলগত ডেটা সরিয়ে নেওয়াকে ‘অপরাধ’ আখ্যা দিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর এই অনড় অবস্থান ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র উত্তেজনা।

বৃহস্পতিবার ভোর থেকেই কলকাতায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। Enforcement Directorate একযোগে অভিযান চালায় তৃণমূলের স্ট্র্যাটেজি ও আইটি সেল হিসেবে পরিচিত IPAC-এর সল্টলেক সেক্টর ফাইভের অফিস এবং সংস্থার কর্ণধার Pratik Jain-এর বাড়িতে। তল্লাশির মধ্যেই বেলা ১২টা নাগাদ প্রথমে প্রতীকের বাড়ি এবং পরে I-PAC অফিসে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী।

মমতার অভিযোগ, “ভোর রাত থেকে তল্লাশি চলেছে। I-PAC তৃণমূলের ভোটকুশলী—এটা কোনও প্রাইভেট অফিস নয়। সব কাগজ ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। নতুন করে ফাইল বানাতে বানাতে তো ভোটই পেরিয়ে যাবে।” তিনি বলেন, “আমাদের পার্টির সব ডেটা—ল্যাপটপ, আইফোন, দলের যাবতীয় তথ্য, এমনকি SIR সংক্রান্ত নথিও ফরেনসিক টিম এনে ট্রান্সফার করেছে। সব টেবিল ফাঁকা।”

SIR প্রসঙ্গে ফের অভিযোগ তোলেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, “অমর্ত্য সেন, জয় গোস্বামীকেও SIR-এর নোটিস পাঠানো হয়েছে। ইচ্ছাকৃত ভাবে হেনস্থা করা হচ্ছে।” তিনি আরও বলেন, “ল্যাপটপ থেকে SIR ডেটা, স্ট্র্যাটেজি, প্রার্থী লিস্ট—সব লুঠ করে নেওয়া হয়েছে। প্রতীকের বাড়িতেও গিয়ে সব নিয়ে গেছে।”

সবচেয়ে তীব্র ভাষায় মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “ভোট জেতার স্ট্র্যাটেজি ছিনিয়ে নিয়েছে ওরা। সব সীমা ছাড়িয়ে গেছে। টাকা-পেশী শক্তির ব্যবহার হচ্ছে।” শেষে তিনি সরাসরি প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে বলেন, “I am sorry—এই ইডি হানার পর আপনাদের আসন শূন্য হবে। প্রধানমন্ত্রীকে বলছি, অমিত শাহকে কন্ট্রোল করুন।”

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

বিজ্ঞাপন

আরও খবর