নজরবন্দি ব্যুরোঃ আজ ২৩ জানুয়ারি, ‘দেশনায়ক দিবস’ পালিত হচ্ছে বাংলায়। নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর জন্মদিবস বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পালিত হচ্ছে রাজ্য জুড়ে। নেতাজির মূর্তিতে মাল্যদান করে রেড রোডে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন মমতা বন্দোপাধ্যায়। শঙ্খধ্বনি, সাইরেন বাজিয়ে এদিন অনুষ্ঠানের সূচনা করা হয়। ইন্দ্রনীল সেনের গাওয়া গানের মুর্ছনায় মেতে ওঠে রেড রোড।
আরও পড়ুনঃ কলকাতা বইমেলা উৎসর্গ করা উচিত ছিল নেতাজীর নামে, প্রস্তাব দিলেন শুভেন্দু


নেতাজি বন্দনায় আজ উপস্থিত বাংলার সমস্ত মন্ত্রীরা। নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর পরিবারের সদস্যরাও উপস্থিত রয়েছেন সেখানে। নেতাজিকে স্মরণ করে গান গেয়ে ওঠেন সুগত বসু। সব মিলিয়ে দেশনায়কের স্মরনে গমগম করে ওঠে ঐতিহ্যবাহী রেড রোড। কেন্দ্রের সরকার নেতাজির ট্যাবলো বাতিল করে যে ‘অপমান’ করেছে বাংলাকে তা এদিনের ভাষণে মনে করিয়ে দেন মুখ্যমন্ত্রী।
দিল্লির উপেক্ষা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘নাই বা হল জায়গা তাঁর দিল্লিতে। বাংলায় তো তিনি থাকবেনই। আর বাংলা সারা বিশ্বকে পথ দেখায়। এবারেও দেখাবে।’ ভাষন দিতে উঠে মমতা বন্দোপাধ্যায়ের কণ্ঠে উঠে আসে অমর জ্যোতির প্রসঙ্গ। তিনি বলেন, ‘অমর জ্যোতি নিভিয়ে নেতাজির মূর্তি বসালে দেশপ্রেম হয় না’।
নাম না করে প্রধানমন্ত্রীকে তুলোধনা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আজ বাংলাকে এত অবজ্ঞা কেন? বাংলার ইতিহাস মুছে দেওয়ার ক্ষমতা কারও নেই। একটা মূর্তি গড়লেই নেতাজিকে ভালবাসা যায় না। অমর জ্যোতি নিভিয়ে নেতাজির মূর্তি বসালে দেশপ্রেম হয় না। ওয়ার মেমোরিয়াল নিয়ে এখন রাজনীতি হচ্ছে। আমি মা-মাটি-মানুষ নিয়ে রাজনীতি করতে চাই না।’


‘অমর জ্যোতি নিভিয়ে নেতাজির মূর্তি বসালে দেশপ্রেম হয় না’… কেন্দ্রকে তোপ মমতার।

তাঁর কথায়, ‘প্রজাতন্ত্র দিবসে একটা নেতাজির ট্যাবলো থাকলে কী অসুবিধে হত? এতদিন পর কেন নেতাজির স্ট্যাচু তৈরির কথা মনে পড়ল? দেশের সব ঐতিহ্য নষ্ট করে দিচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার। নেতাজির ট্যাবলো কেন বাতিল করেছেন, আমাদের জানানো হয়নি। নেতাজির ট্যাবলো আমাদের রেড রোডে চলবে।’







