নজরবন্দি ব্যুরোঃ ৫০ হাজার টাকা ভালবাসার অনুদান পুজো কমিটিদের। পুজো বাম্পার মমতার। করোনা আবহে কেমন হতে চলেছে কলকাতার দূর্গাপুজো! কেমনহবে মণ্ডপ! কি হবে নিরাপত্তার, কোন কোন বিধি মানতে হবে সবাইকে সব কিছুনিয়ে আজ কলকাতায় নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে পুজো কমিটিগুলির সঙ্গে বৈঠকে বসেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই পুজোর বাম্পার ঘোষনা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়।
আরও পড়ুনঃ ২১ শে চাই ভূমিপুত্র শিক্ষিত বিধায়ক! সোচ্চার বাসন্তীর বাসিন্দারা।


আজ মুখ্যমন্ত্রী বিভিন্ন পুজো কমিটিকে নির্দেশ দেন কিকি ব্যবস্থা রাখতে হবে পুজো মণ্ডপে। পাশাপাশি জানিয়ে দেন দর্শনার্থীদের জন্যেও বিধি। তিনি বলেন, খোলামেলা মণ্ডপ, প্রতিমার মাথায় চালা থাকবে। চারপাশ ঘিরতে হলে মাথা খোলা রাখতে হবে।সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। প্রবেশ-বাহিরের আলাদা পথ। মণ্ডপে হাফ কিলোমিটারের মধ্যে আসা মানুষের জন্য হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও মাস্ক পরতেই হবে। পুজো উদ্যোক্তাদেরও মণ্ডপে মাস্ক ও স্যানিটাইজার রাখতে হবে। স্বেচ্ছাসেবকদের জন্য ফেসশিল্ডের ব্যাবস্থা করতে হবে।
অঞ্জলি সকলে একসঙ্গে দেওয়া যাবে না। প্রয়োজনে মাইকে মন্ত্রোচ্চারণ করে অঞ্জলি দিন। ভোগ বিতরণেও খেয়াল রাখতে হবে। সিঁদুর খেলার সময় ভেঙে নিতে নির্দেশ দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, একসঙ্গে সকলে সিঁদুর খেলা নয়। পাশাপাশি তিনি জানিয়ে দেন, পুজোয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হবে না।
৫০ হাজার টাকা ভালবাসার অনুদান পুজো কমিটিদের। মুখ্যমন্ত্রী পুজো কমিটিগুলোর জন্যে রাজ্য সরকারের তরফে ৫০ হাজার টাকা করে অনুদান দেওয়ার ঘোষণা করেন। তিই বলেন, “আমাদের টাকা নেই পয়সা নেই সেটা ঠিক। কিন্তু আমি জানি পুজো কমিটিগুলো খুব প্রবলেমে রয়েছে। আমাদের পক্ষ থেকে একটা স্বল্প দান তো আমরা দিই। যদিও এটা দান নয় ভালবাসা। এবার যেহেতু আপনাদের সমস্যা একটু বেশি রয়েছে। এ বার রাজ্য সরকার ৫০ হাজার টাকা করে দেবে প্রত্যেকটা পুজো কমিটিকে”।


পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী বলেন, পুজো কমিটিগুলো খুব আর্থিক সংকটে রয়েছে তাই এ বছর দমকলকে কোনও ফি দিতে হবে না। পাশাপাশি পুরসভাও ফি নেবে না। এমনকি সিইএসসি ও রাজ্য বিদ্যুৎ পর্ষদও বিদ্যুৎ মাশুলে ৫০ শতাংশ ছাড় দেবে!







