নজরবন্দি ব্যুরোঃ বিধিনিষেধে অল্প ছাড় মমতার, আজ বনিক সভার বৈঠক থেকেই রাজ্যের নিয়মকানুন কিছুটা শিথিল করেছেন। টানা ১৫ দিনের করা লকডাউনের পর সেই মেয়াদ আরও ১৫ দিন বাড়িয়েছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। তবে সংক্রমণের গ্রাফ কিছুটা নিম্নমুখী হওয়ায় কিছু ক্ষেত্রে শিথিল করলেন নিয়মের কড়াকড়ি। তার পাশাপাশি জোর দিয়েছেন টিকাকরণেও।
আরও পড়ুনঃ সাবালকের ব্যর্থতা দেখতে আসতে হয় নাবালককে, অধিকারী গড়ে সপাট জবাব অভিষেকের
আজকের বনিক সভার বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, লকডাউনের প্রভাবে ব্যবসার ক্ষতি হচ্ছে, সরকার ব্যবসা বন্ধের পক্ষে নয় কখনোই, তবে এমন কিছু করা হবে না যাতে তৃতীয় ঢেয় আছড়ে পড়ে। তাই সেই ক্ষতির পরিমাণ কম করার কারণে একগুচ্ছ সিদ্ধান্তের বদল ঘটানোর সঙ্গে সঙ্গেই পরামর্শ দিয়েছেন টিকাকরণের।
নবান্ন সভা ঘর থেকে আজ বৈঠকের সময়েই প্রসঙ্গ ওঠে এই মুহুর্তে রাজ্যের হোটেল রেস্তোরার কর্মীরা প্রবল সমস্যায়,কারণ লকডাউনের ফলে বন্ধ হোটেলে বসে খাওয়া দাওয়া। তা শুনেই সিদ্ধান্ত নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানান, বিকেল ৫টা থেকে রাত ৮টা ৩ ঘণ্টার জন্য রেস্তোরা-পানশালা খোলা যাবে, তবে তার জন্য রেস্তোরা কর্তৃপক্ষকে নিশ্চিত করতে হবে যেন কর্মচারীরা কমপক্ষে যেনো প্রথম ডোজ নিয়ে কাজে যোগ দেন। এবং মোট কর্মীদের ৫০ শতাংশ কর্মীদের নিয়ে খোলা যাবে হোটেল-রেস্তোরা বলেও জানিয়েছেন। সঙ্গে গ্রাহকদেরও ৫০ শতাংশ উপস্থিত থাকতে পারবে বলে জানানো হয়েছে। পরিষেবা দিতে হবে দূরত্ব বিধি মেনে। ব্যবহার করতে হবে মাস্ক-স্যানিটাইজার।
সঙ্গে আগামী ১৬ জুন থেকে শপিং মল খোলার বিষয়েও ভাবনা চিন্তার কথা বলেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী জানান পরিস্থিতির বিচারে আগামী ১৬ তারিখ থেকে ২৫ শতাংশ কর্মী নিয়ে খোলা যেতে পারে শপিং মল। কর্মীরা যাতে টিকা নিয়েই কাজে যোগ দেন সেটাও নিশ্চিত করতে বলেছেন তিনি। তবে ১৫ই জুন এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।
একই সঙ্গে খুচরো দোকান খোলা রাখার সময় বেড়ে ৪ ঘণ্টা করা হয়েছে আজ, ১২ টা ৩টে পর্যন্ত খুচরো বিক্রির দোকান খোলা থাক্তো সেই সময়সীমা ১ ঘন্টা বৃদ্ধি করা হয়েছে, সঙ্গে বনিক সংগঠন আবেদন জানালেও আপাতত সংক্রমনের কথা মাথায় রেখেই জামাকাপড়ের দোকান সন্ধ্যে বেলায় খোলা রাখা যাবেনা বলে জানিয়েছেন তিনি।



