নজরবন্দি ব্যুরো: পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্রের বাড়িতে হানা দেয় কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআই। দীর্ঘ প্রায় ছয় ঘণ্টার তল্লাশি শেষে তদন্তকারীরা তাঁর বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসেন। এরপর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জানালেন, সিবিআই তল্লাশি চালিয়ে কিছুই পায়নি। এমনকি দিলেন হুঁশিয়ারি।
আরও পড়ুন: ফিরহাদ-মদনের বাড়িতে CBI-এর সারপ্রাইজ ভিজিট, কেন্দ্রকেই নিশানা দেবের


পুরসভা নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় রবিবার সকালে ফিরহাদ হাকিম ও মদন মিত্রের বাড়িতে যায় সিবিআই। প্রথমেই কামারহাটির বিধায়কের ভবানীপুরের বাড়িতে তল্লাশি শুরু করে। এরপর দক্ষিণেশ্বরের ফ্ল্যাটেও যায় তদন্তকারীরা। ছয় ঘণ্টা তল্লাশি চলে। মদন মিত্রের আইনজীবী নীলাদ্রি ভট্টাচার্যের দাবি, সিবিআই সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা ধরে মদন মিত্রকে কোনও জিজ্ঞাসাবাদ করেনি। সারা বাড়িজুড়ে শুধু তল্লাশি চালানো হলেও কিছু পাওয়া যায়নি। এমনকি কেন্দ্রীয় আধিকারিকরা লিখে দিয়ে গিয়েছেন যে তাঁরা কিছু পাননি।

সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মদন মিত্র বলেন, “সিবিআই লিখে দিয়ে গিয়েছে আমার বাড়িতে কিছু পাওয়া যায়নি। দক্ষিণেশ্বরে আমার অফিস। ওখানে অনেকে চাকরির আবেদন নিয়ে আসেন। আবেদনপত্র গ্রহণ করেছি। আবেদনপত্র রয়েছে মানে চাকরি হয়েছে তা নয়। আর চাকরি হলেও সেখানে যে দুর্নীতি হয়েছে তা প্রমাণ করতে হবে। বেকারদের চাকরির জন্য মদন মিত্রের লড়াই জারি থাকবে। কেউ দুর্নীতি প্রমাণ করতে পারলে গলায় দড়ি বেঁধে গঙ্গায় ঝাঁপ দেব।”



এদিন তল্লাশির শুরুতেই দুই তৃণমূল বিধায়কের ফোন দখল করে নেন গোয়েন্দারা। বিধায়কের কার্যালয়ে তল্লাশি করে নথি সংগ্রহ করা হয়। মূলত কামারহাটি পুরসভার দুর্নীতির তদন্তের স্বার্থেই মদনের বাড়িতে যায় তাঁরা। তৃণমূল বিধায়ক জানান, “সিবিআই আমাকে সুনির্দিষ্ট কোনও পুরসভার ব্যাপারে কোনও প্রশ্ন করেনি। আমি সিবিআইকে বলেছি দুর্নীতি যখন হয়েছে তখন আমি বিধায়ক ছিলাম না, আমি জেলবন্দি ছিলাম।”
‘গলায় দড়ি বেঁধে গঙ্গায় ঝাঁপ দেব’, ৬ ঘণ্টা তল্লাশি শেষে CBI বাড়ি ছাড়তেই মুখ খুললেন Madan Mitra








